নজরবন্দি ব্যুরো: নজরে ব্রিগেড। আর সেই লক্ষ্যেই গত এক সপ্তাহ ধরে রীতিমত “ব্রিগেড সপ্তাহ” পালন করছে বিজেপি। ২০১৯এর লোকসভার আগের ব্রিগেড যেভাবে ফ্লপ শোতে পরিণত হয়েছিল, এবার বিজেপি আর সেই রিস্ক নিতে চাইছে না। এই ব্রিগেডে প্রধান বক্তা নরেন্দ্র মোদী বক্তৃতা রাখবেন রাজ্যের প্রতি। তৈরি হচ্ছে তারকা উপস্থিতির তালিকা। শুরু হয়ে গেছে একাধিক গুঞ্জন। মোটকথা বিজেপি চাইছে ৭এ ব্রিগেডের ছটায় গোটা কলকাতাকে থমকে দিতে।
আরও পড়ুনঃ প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী! দিদির পছন্দকে মাস্টারাট্রোক হিসেবে নিচ্ছে ব্যারাকপুর।
আর সেই লক্ষ্যেই এবার রাস্তায় আমন্ত্রণ পত্র বিলোতে দেখা গেলো বিজেপির প্রথম সারির নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এমনিতেই ক্ষমতায় আসার জন্য বিজেপির মূল লক্ষ্য জনসংযোগ বাড়ানো। গত দুমাস ধরে গোটা রাজ্য জুড়ে সভা করছেন বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা। কেন্দ্রীয় নেতারা রাজ্যে এসে ঘোষণা করছেন ক্ষমতায় এলে কী কী করবেন। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন নারী সুরক্ষা থেকে দুর্গাপুজোর মত একাধিক বিষয়ে।
প্রথমে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে বার্তা ছিল ব্রিগেডের আগেই দল ঘোষণা করবে তাঁদের সম্ভবত প্রার্থী তালিকা। কিন্তু গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর প্রার্থী তালিকা দেখে নতুন করে ভাবছে বিজেপি। জনসমাগমে মাঠ ভরাতে একাধিক কৌশল নিচ্ছে বিজেপি। সূত্রের খবর অনুযায়ী মাঠে থাকবেন মিঠুন থেকে অক্ষয় কুমার। বেশ কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে তিনটি ট্রেনে করে মালদা,আলিপুরদুয়ার উত্তরদিনাজপুর থেকে আনবে লোক।
এসবের মধ্যেই আজ দেখা গেছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক স্থানে ব্রিগেডের আমন্ত্রণ পত্র বিলি করছেন খোদ কৈলাস বিজয়বর্গীয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালই ঘোষণা করেছেন ভবানীপুর নয় শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই দাঁড়াবেন তিনি। তার পরই আজকে ওই এলাকার নর্দান পার্ক, শরৎ বসু রোড সহ একাধিক স্থানে বিজেপি ব্রিগেডের আমন্ত্রণ পত্র বিলি করতে দেখা গেলো বিজেপির প্রথম সারির নেতাকে। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে এটা শুধুই ব্রিগেডের লোক আনার জন্য নয়। মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর ছেড়ে দেওয়ার পর সেখানে ভালো মত জনসংযোগ তৈরি করতে চাইছে দল।



