নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সাজো সাজো রব পড়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে। নবান্ন দখলের লড়াইতে সামিল সবাই। খেলা হবে স্লোগান যখন শোনা যাচ্ছে কমবেশি সব রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীদের মধ্যে তখন খেলার ইঙ্গিত মিলল বহু চর্চিত ভাঙড়ে। বাম জোট সঙ্গী ISF কর্মীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বোমা-বন্দুক সহ একগুচ্ছ হাতিয়ার।
আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি, ৯ই মার্চের মধ্যে জমা দিতে হবে ১ম দফার মনোনয়ন পত্র।


ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ভাঙড় থানার সুনদিয়া এলাকায়। বাড়িতে বোমা এবং আগ্নেয়াত্র রাখার অপরাধে ৪ জন আইএসএফ (ISF) কর্মীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম জলিল মোল্লা, জাহাঙ্গির মোল্লা, মফিজুল মোল্লা, রবিউল শেখ। একজন পলাতক, তাকে খুঁজছে পুলিশ। মঙ্গলবার বারুইপুর আদালতে তোলা হবে ধৃতদের।
সূত্রের খবর, রবিবার আইএসএফ বনাম তৃণমূলের মধ্যে অশান্তিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়ের দুর্গাপুর এলাকা। পাশাপাশি একই দিনে আইএসএফ কর্মীরা ভাঙচুর চালায় দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং অনধিকার হস্তক্ষেপের কারণে অভিযোগ দায়ের হয় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে। তদন্তে নামে পুলিশ। এরপরেই গোপন সূত্রে আইএসএফ কর্মীর বাড়িতে অস্ত্র কারখানার হদিশ পায় পুলিশ।
বাম জোট সঙ্গী ISF কর্মীর বাড়িতে পরে গোপনে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর তারা খবর পায় আইএসএফ কর্মী জলিল মোল্লার বাড়িতে বোমা তৈরি করা হচ্ছে। তারপরেই হয় অভিযান। পুলিশ আসছে শুনে পালায় জলিল মোল্লার ছেলে। বাকিদের হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় বোমা তৈরির সামগ্রী, বোমা, গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র।


পুলিশের অনুমান আসন্ন নির্বাচনে অশান্তি ছড়ানোর জন্যেই এইসব অস্ত্র মজুত করা হচ্ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত পলাতক কে পাকড়াও করতে জাল পাতছে পুলিশ। উল্লেখ্য, বাম-কংগ্রেস-ISF জোটের প্রার্থী হিসেবে ভাঙড়ে লড়তে পারেন আব্বাস সিদ্দিকির ভাই নওশাদ সিদ্দিকি৷








