শীত আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। শাক-সবজি, আলু-পেঁয়াজ, মাছ—সবকিছুর দাম ঊর্ধ্বমুখী। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে ডিম। মধ্যবিত্তের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
শনিবার সকালে বিভিন্ন বাজারে ডিমের দাম দেখে অনেক ক্রেতাই হতবাক। এক সপ্তাহ আগেও যেখানে ডিমের খুচরা দাম ছিল সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে সাড়ে সাত থেকে আট টাকা।


ডিমের এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ব্যবসায়ীরা বেশ কিছু কারণ তুলে ধরেছেন:
- কম জোগান: অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশার মতো রাজ্যগুলোতে ডিমের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জোগান কমে গেছে।
- মুরগির খাদ্যের দাম বৃদ্ধি: মুরগির খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি ডিমের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে।
- বড়দিনের প্রভাব: বড়দিনের আগে কেক তৈরির জন্য ডিমের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এখন থেকেই দাম বাড়িয়ে রাখছেন।
ডিম, যা বরাবরই মধ্যবিত্তের অন্যতম সহজলভ্য প্রোটিনের উৎস, এখন তা সাধারণ মানুষের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাজারে অনেক ক্রেতা অভিযোগ জানিয়েছেন যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নিয়ন্ত্রণ আনতে প্রশাসন ব্যর্থ। বাজারে টাস্ক ফোর্সের প্রতিনিধি ঘুরে বেড়ালেও ক্রেতারা মনে করছেন, এই উদ্যোগ কার্যকর নয়। অনেক ক্রেতা বলেছেন, “আলুর দাম যদি ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে ডিমের দাম কমবে কীভাবে?”
ডিমের দাম যে আরও বাড়তে পারে, তার পূর্বাভাস ইতিমধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। শীতকালীন কেকের মৌসুম ও ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি এই সমস্যাকে আরও জটিল করতে পারে।










