বাংলামুখী হচ্ছেন না কৈলাস, এবার তাঁর ঘনিষ্ঠকে ত্রিপুরায় বদলি করল বিজেপি।

বাংলামুখী হচ্ছেন না কৈলাস, এবার তাঁর ঘনিষ্ঠকে ত্রিপুরায় বদলি করল বিজেপি।
বাংলামুখী হচ্ছেন না কৈলাস, এবার তাঁর ঘনিষ্ঠকে ত্রিপুরায় বদলি করল বিজেপি।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলামুখী হচ্ছেন না কৈলাস, এবার তাঁর ঘনিষ্ঠকে ত্রিপুরায় বদলি করল বিজেপি। রাজ্যে ভোটে ভরাডুবি সাথে মুকুলের দলত্যাগ, জোড়া কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে আর বাংলামুখী হচ্ছেন না ভোটের আগে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। রাজ্য বিজেপিও ভোটে ব্যর্থতা এবং মুকুলের সাথে তাঁর অতিসখ্যতার কারণে যারপরনাই ক্ষুব্ধ। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক যথেষ্ট খারাপ।

আরও পড়ুনঃ অতিমারীতে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবনতা কমেছে

এমন অবস্থায় কৈলাস বিদায়ের পর বাংলা থেকে কৈলাস ঘনিষ্ঠ দের বিদায়ঘণ্টা কি বাজিয়ে দিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব? পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি-র সহ সংগঠন সম্পাদক কিশোর বর্মনকে ত্রিপুরায় পাঠিয়ে দেওয়ার পর ঘটনা সেদিকেই মোড় নিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজ্য বিজেপি। সূত্রের খবর বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের ইচ্ছেকে মান্যতা দিয়েই কিশোরকে ত্রিপুরায় সরিয়ে দিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবারই কিশোরকে দিল্লিতে ডেকে বদলির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

বাংলামুখী হচ্ছেন না কৈলাস, এবার তাঁর ঘনিষ্ঠকে ত্রিপুরায় বদলি করল বিজেপি। তবে টুইট করে কিশোর এ  বার ত্রিপুরায় বিজেপি-কে শক্তিশালী করার কাজ করবে এই কথা জানালেও তিনি ত্রিপুরায় কী পদে বসবেন বা কোন দায়িত্ব পালন করবেন সেই নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি নাড্ডা। এদিকে কৈলাসের ‘পছন্দের লোক’ কিশোরকে ফের নিজের রাজ্য ত্রিপুরাতে পাঠানোকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজ্য বিজেপি। কারন শিবপ্রকাশ এবং অরবিন্দ মেননের সমর্থনে সহ সভাপতি হওয়া কিশোরের বিরুদ্ধে দিলীপ ঘোষ ও রাজ্য বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ক্ষোভের কথা জানালেও কাজ হয়নি।

বাংলামুখী হচ্ছেন না কৈলাস, এবার তাঁর ঘনিষ্ঠকে ত্রিপুরায় বদলি করল বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি-র সহ সংগঠন সম্পাদক কিশোর বর্মনকে ত্রিপুরায় পাঠিয়ে দেওয়া হল।

কারণ, বিজেপি-র সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী কিশোরকে সরানোর ক্ষমতা ছিল না দিলীপের। সংগঠন সম্পাদকদের নিয়োগ, অপসারণ ও বদলি হয় শুধু কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে। ভোটে বিপর্যয়ের পর রদবদল কিশোরকে দিয়েই শুরু করল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, তেমনই মনে করছেন বিশেসজ্ঞরা। তা সত্বেও কিশোরকে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পিছনে রাজ্য নেতারা অন্য কারণ দেখছেন। তাঁদের বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচন পর্বে কৈলাস যে ভাবে বাংলায় নিজের টিম সাজিয়েছিলেন তা ভেঙে দেওয়ার প্রথম পদক্ষেপ এই বদলি। কিশোর অবশ্য তা মনে করছেন না।

শুক্রবার এই নিয়ে প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন ‘‘এটা নিয়মমাফিক দায়িত্ব বদল। আমাদের সংগঠনে এটা হয়েই থাকে। নেতৃত্ব যে দায়িত্ব দেবেন সেটাই পালন করব। দিন সাতেকের মধ্যেই আগরতলায় যাব।’’ অন্যদিকে এই নিয়ে রাজ্য বিজেপি-র এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরেই কিশোরের কারও সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না। তাঁর সঙ্গে বিবাদের জেরেই এক সময়ে উত্তরবঙ্গ জোনের দায়িত্ব ছেড়ে দেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে সেখানে সায়ন্তন বসুকে পাঠানো হয়। কিন্তু তাঁর সঙ্গেও কিশোরের সম্পর্ক ভাল ছিল না।’’ এখন দেখার আগামী দিনে আর কি কি পরিবর্তন আনা হয় রাজ্য বিজেপিতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here