নজরবন্দি ব্যুরো: ধর্মঘট করছে বাম-কং, ওদিকে তারাতলার মোড়ে মিছিল করে মার খেল বিজেপি। মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে ধুন্ধুমার কান্ড তারাতলায়। মহিলা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। কয়েকজনকে আটকও করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে মিছিল করার কথা ছিল বিজেপির৷
আরও পড়ুনঃ উত্তাল পাঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্ত। জলকামানে রুখল না দিল্লিগামী কৃষকের লাল স্রোত!
ফলে বিজেপি কর্মীরা একে একে মিছিলে যোগদান করতে শুরু করলে, মিছিল শুরু হওয়ার আগেই বাধা দেশ পুলিশ। মূহুর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বিজেপি কর্মী এবং পুলিশের মধ্যে শুরু হয় ধ্বস্তাধ্বস্তি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতেই পুলিশ লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। নামানো হয় কমব্যাক্ট ফোর্স। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাস্তায় নামেন, ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরাও। এরপরই গলির ভেতরে আশেপাশে থাকা বিজেপি কর্মীদের টেনে হিঁচড়ে বের করে আনা হয়।
আটক করা হয় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। ফলে এতে আহত হয়েছেন, বিজেপি কর্মী থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন মহিলা পুলিশ কর্মীও। ইতিমধ্যেই তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। সঙ্গে সঙ্গেই বিক্ষোভকারীদের পিছু হাঁটতে ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। লাঠিচার্জের পরও ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক হলেও বাড়ানো হচ্ছে পুলিশের সংখ্যা।
ধর্মঘট করছে বাম-কং, ওদিকে তারাতলার মোড়ে মিছিল করে মার খেল বিজেপি। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলেন, “তিনি বলেন বাংলায় শাড়ি পরা হিটলারের রাজত্ব চলছে। বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা শাখা আয়োজিত মিছিল ছিল সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক এবং শান্তিপূর্ণ। শ্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় মিছিলের দায়িত্বে ছিলেন। পুলিশ বাম- কংগ্রেসের ডাকা বনধকে সমর্থন করলেও বিজেপির মিছিলে লাঠিচার্জ করে। যা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক।”



