নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার রাজ্যপালের ভাষণের মাধ্যমেই শুরু হচ্ছে চলতি বছরের বাজেট অধিবেশন। প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে যে দ্বন্দ্ব রাজ্যের শুরু হয়েছিল, সেই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি সংঘাতের আবহ ঘুচিয়ে মন্ত্রীসভার অনুমোদিত ভাষণ পড়বেন রাজ্যপাল। যা সরাসরি সম্প্রচারের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার রাজ্যপালের বক্তব্য পেশের সময় অনুপস্থিত বিরোধী দলের ২০ জন বিধায়ক।


রাজ্যপাল পদে নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথমবার ভাষণ রাখবেন সিভি আনন্দ বোস। এদিন উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে উপস্থিত থাকবেন না বিজেপির ২০ জন বিধায়ক। সূত্রের খবর, এই মুহুর্তে ত্রিপুরার নির্বাচনে ব্যস্ত রয়েছেন তাঁরা। তাই আজ অনুপস্থিত থাকছেন তাঁরা। তবে বাজেট অধিবেশনে দলের রণনীতি নির্ধারণ করতে উপ্সথিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হয়ত চাইছে না রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কোনওভাবে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুর চড়াক। সম্প্রতি সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি’লিট প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়শী প্রশংসা করেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের মন্তব্য সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারী টুইটে লেখেন, আজ রাজ্যপালের ভাষণ শুনে মনে হয়েছে, আসন্ন বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য পেশ করার আগে রিহার্সাল দিচ্ছেন তিনি।
অনুপস্থিত বিরোধী দলের ২০ জন বিধায়ক, বাজেট অধিবেশন ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যপালের ভাষণ সম্প্রচার করা হবে সংবাদমাধ্যমে। কিন্তু জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন তেমনটা হয়নি। শেষভার বিরোধীদের শোরগোলের জেরে বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে পারেননি ধনকড়। এবার কি সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে? উঠছে প্রশ্ন।









