নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য সরকার ওখানে কী করতে চাইছে জানি না। কিন্তু চুক্তি হয়ে গিয়েছে। বোঝাপড়া হয়েছে গোয়ানিজ কোম্পানির সঙ্গে। সেই গোয়ানিজ কোম্পানি রাজ্যসভার সদস্যের ঘনিষ্ট? দেউচার লেনদেনে রাজ্যসভা প্রাপ্তি লুজিনহোর! দেউচা পাঁচামি নিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর এই মন্তব্য ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
আরো পড়ুনঃ ওয়ার্ড বদল তৃণমূলের বহু প্রভাবশালী কাউন্সিলরের, দেখুন সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম!
বাংলায় বিজেপির জয়ের রথ আটকে দিয়ে মমতার পরবর্তী লক্ষ্য গোয়া। সেই মতো নিজে গিয়েই প্রচারের শুরু করেছেন তিনি। তৃণমূলের ট্রাম্পকার্ড প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেরিও। প্রথমে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এরপর রাজ্যসভার তৃণমূলে তাঁর উত্তীর্ণতা দেখে রাজনৈতিক মহলে কম সমালোচনা হয়নি। কিন্তু পূর্ব ভারত ছেড়ে একাবারে পশ্চিম আরব সাগরের পাড়েই ঘাসফুলের চাষে কেন নামলেন তৃণমূল নেতৃত্ব? এখানে কী লুকিয়ে দেউচা পাঁচামির অঙ্ক?
প্রবীন বাম নেতার কথায়, “এখন অঙ্ক কষুন। অঙ্ক কষে নিন। সরকার যা যা করবে সেটা বড় ব্যবসায়ীদের স্বার্থে। অধিগ্রহণ করলেও তাঁর স্বার্থেই হবে”। কিন্তু কীসের অঙ্ক মেলানোর কথা বললেন বিমান বসু? এর আগে গোয়ার সফরে গিয়ে খনিজ সম্পদের শৃঙ্খলায়ন নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই কথা শোনা গিয়েছে গোয়া তৃণমূলের ইনচার্জ মহুয়া মৈত্রের কথাতেও। কিন্তু কোন অঙ্ক মিলছে এর পিছনে? মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছে কংগ্রেস থেকে বিজেপি সরকারকে।
সম্প্রতি বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের কথায়, বাংলায় কয়লা নিয়ে কেউ আর ভাবছে না। এখন গোয়ায় গেছে লুঠ করতে। সেখান থেকে বালি মুঠো করেই ফিরতে হবে তৃণমূলকে।
দেউচার লেনদেনে রাজ্যসভা প্রাপ্তি লুজিনহোর, চাঞ্চল্য বিমান বসুর মন্তব্যে!

আর মাত্র মাস দুয়েক পরেই নির্বাচন। তৃণমূল কী ক্ষমতায় আসতে পারবে? নয়া রাজ্যে সংগঠন নিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাইছেন না তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু বিমান বসুর মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। কোনও মতেই এটাকে সিঙ্গুর হতে দেবেন না। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোয়াপাধ্যায়। শেষ অবধি দেউচার জমিতে ‘রাজনৈতিক হীরার’ সন্ধানের অপেক্ষায় রইলেন ওয়াকিবহাল মহল।



