নজরবন্দি ব্যুরো: একুশে বিধানসভা ভোট আসতে আর মাত্র কটা মাস। নিজেদের মতো করে বিপরীতদের রুখতে গুঠি সাজাচ্ছেন সকলে। একদল তৃণমূলকে রুখতে যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে তো একদল বিজেপিকে বাংলা থেকে হটিয়ে দেওয়ার জন্য নতুন ভাবে হাত ধরছেন তৃণমূলের। বাংলা রাজনীতির এই পরিস্থিতিতে পাহাড়ের উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে রুখতে আবার তৃণমূলের হয়ে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুং।
আরও পড়ুনঃ আবার জানুয়ারিতে বাংলায় শাহ, একুশের আগেই সংগঠনে জোর।


প্রায় সাড়ে তিনবছর পর আজ রবিবার দার্জিলিংয়ে সভা করবেন গুরুং। চর্চার মাঝখান থেকে হঠাৎ করেই “হারিয়ে” গিয়েছিলেন তিনি, ঠিক ততটাই হঠাৎ ভাবে একদিন কলকাতায় দেখা যায় তাঁকে। তারপর থেকে প্রস্তুতি চলছিল ফিরে আসার। উত্তরবঙ্গ কিছু জায়গায় সভা করার পর গুরুং এবার পাহাড়ে। শনিবার পাহাড়ে ওঠার আগে পঞ্চই দলীয় দপ্তরে বৈঠক সারেন তিনি। তারপর পাহাড়ে উঠে আজ রবিবার করবেন প্রত্যাবর্তনের সভা।
সভার প্রস্তুতিও প্রায় শেষের মুখে। উত্তরবঙ্গে কয়েকটা সভা করলেও ডুয়ার্স এবং দার্জিলিংয়ে বিমলের এই ফিরে আসাকে ভালোভাবে নিচ্ছেনা অনেকেই। “আদিবাসী বিকাশ পরিষদ”- এর নেতা রাজেশ লকরা। ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন আগুন জ্বলার। তিনি জানিয়েছেন “গুরুং যদি সভা করে তাহলে আগুন জ্বলবে।” এমনকি শুক্রবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী সোনম লামার সপক্ষে ডুয়ার্সে একটি সভা করেন গুরুং।
তাতে চটেছেন আদিবাসী বিকাশ পরিষদ। শুধু তাই নয়,এখন প্রশাসনিক ক্ষমতা বিনয় তামাং এবং অনিত থাপারের হাত, আর সেদিক থেকেও অশনি সংকেত পাচ্ছেন গুরুং। বিনয় তামাং মোটেই ভালোভাবে নিচ্ছেননা গুরুং এর এই ঘর বাপসি। সভা থেকে হুমকি সব মিলিয়ে পাহাড়ে এখন উত্তপ্ত। দীর্ঘ সময় পরের এই প্রত্যাবর্তনে কতটা সমর্থন পাবেন গুরুং তা বোঝা যাবে আজকের সভাতেই। আর আজকের উপস্থিতির হার ঠিক করবে পাহাড়ের রাজনীতির আগামী দিন।









