নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমফানের ত্রান দূর্নীতি নিয়ে ক্যাগকে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের তরফে ক্যাগকে তিন মাসের মধ্যে রিপর্ট জমা করতে বলা হয়েছে। আমফানের ত্রান বিলি নিয়ে রাজ্য জুড়ে অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে, এবং সেই অভিযোগ যে অমূলক নয় তাঁর প্রমানও পাওয়া যায়। অভিযোগ মেনে নিয়ে দলের দূর্নীতিগ্রস্ত দের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেয় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু এবার সেই ঘটনা নিয়েই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
আরও পড়ুনঃ মদন কে দলবদলের বার্তা দিয়ে সৌগত কে মোষ আখ্যা দিলীপের!


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছেন ত্রান নিয়ে কোন তৃণমূল নেতা যেন দূর্নীতিতে না জড়ান। কিন্তু সব কিছুকে উপেক্ষা করে নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব ত্রান কেলেঙ্কারির বিরল দৃষ্টান্ত তৈরী করে। যার জেরে, শুভেন্দু অধিকারীর এলাকায় হস্তক্ষেপ করতে হয় তৃণমূল ভবন কে। দূর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে নন্দীগ্রামের ২০০ জনকে শোকজ করা হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে।
পরে তাঁদের মধ্যে ৫৫ জন ত্রান চুরির টাকা ফেরত দিয়ে গেছেন বলে জানান তৃণমূল জেলা সভাপতি শিশির অধিকারী। সেই সময় শিশির অধিকারীর জানিয়েছিলেন, “ইতিমধ্যে ৫৫ জন ত্রাণের টাকা ফেরত দিয়েছেন। আশা করি, আরও টাকা ফেরত আসবে। যত বড় নেতাই হোন না কেন, পূর্ব মেদিনীপুরে আমরা কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। সকলকে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। সরকারের ভাবমূর্তি যাঁরা নষ্ট করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। যাঁদের বহিষ্কার করা হবে তাঁদের একটি নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। দল অনুমোদন দিলেই বহিষ্কার করা হবে।”
অন্যদিকে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আমফান ত্রাণ নিয়ে যাঁরা দুর্নীতি করেছেন, “তাঁদের শুধু বহিষ্কার নয়, আরও বড় শাস্তি দেওয়া হবে।” এরপর অবশ্য ত্রান চুরি নিয়ে নতুন কোন অভিযোগ সামনে আসেনি।











