নজরবন্দি ব্যুরোঃ মদন কে দলবদলের বার্তা দিয়ে সৌগত কে মোষ আখ্যা দিলীপের! সৌগত রায় কে নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার দিলীপ বাংলার শাসকদলকে ‘অর্থবদের দল’ বলে কটাক্ষ করেন। তার কথায়, “তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন।”
আরও পড়ুনঃ ‘টাইগার ইজ ব্যাক’ পোস্টার গড়বেতায়! কঙ্কাল রহস্যভেদ ৬ই ডিসেম্বর, হুঙ্কার সুশান্তর।


সেইসঙ্গে দলবদল থেকে নতুন প্রকল্প, সৌগত রায় থেকে পিকে-সমস্ত ইস্যুতেই তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পালটা দিতে ছাড়লেন না সৌগত রায়। কয়েক আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ মন্তব্য করেছিলেন, “যাঁরা দল (তৃণমূল) ছেড়ে পালাচ্ছেন তাঁরা ইঁদুর।” এই সূত্র ধরেই বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে সরাসরি আক্রমণ শানান, “বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু কি মোষ? ওঁকে কেউ দলে নেবে না। তাই উনি তৃণমূলে পড়ে রয়েছেন।”
উল্লেখ্য, সৌগত রায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে দাবি জানিয়েছিলেন অর্জুন সিং। কিন্তু পরে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন তৃণমূল সাংসদ। তৃণমূল সরকারের দুয়ারে সরকার, সকলের জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মতো প্রকল্পেরও সমালোচনা করেন দিলীপবাবু। তাঁর কথায়, “এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তার সুবিধা পেয়েছেন কজন? সাধারণ মানুষের কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছনোর আগে দলের নেতা-কর্মীরা কাটমানি খেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ এবারও নির্বাচনী চমক দেওয়ার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মদন কে দলবদলের বার্তা দিয়ে সৌগত কে মোষ আখ্যা দিলীপের! সোমবার একাধিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে মদন মিত্র বলেন, মানুষের মন জিততে কী করতে হয় সেই শিক্ষা প্রশান্ত কিশোরের কাছ থেকে নেব না। সঙ্গে দলের নেতৃত্বের একাংশকে কটাক্ষ করে, ‘ক্যাপসুল লিফট’ ও হেলিকপ্টারে মালদা ভ্রমণের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। শুভেন্দুকেও অহংকারী না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। বলেন, ফাইনাল প্যাক আপ করার সময় হয়েছে।


এই ইস্যুতে মদনের পাশে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন দিলীপ, আক্রমণ শানিয়েছেন টিম পিকের বিরুদ্ধেও। এদিন মদন মিত্রর বক্তব্যকে সমর্থন করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “উনি ঠিকই বলেছেন। অনেকে বলতে পারছেন না, উনি বলেছেন।” মদনের বিদ্রোহে ঘৃতাহুতি দিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, “বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না।”







