ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগে ভবানীপুরে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুললেন, গণনাকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আগেই বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে—যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে। ইতিমধ্যেই তিনি এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
সোমবার গণনার আগে রবিবার সন্ধ্যায় ভবানীপুরের লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরে পুজো দেন শুভেন্দু। মন্দির থেকে বেরিয়েই তিনি একাধিক অভিযোগ সামনে আনেন। তাঁর দাবি, কোন কর্মী কোন টেবিলে দায়িত্বে রয়েছেন—এই সংবেদনশীল তথ্য আইসিডিএস অফিসারদের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুভেন্দুর কথায়, “এই ধরনের তথ্য বাইরে ছড়ানো সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী।”


এতেই থেমে থাকেননি তিনি। তুফানগঞ্জ মহকুমা প্রশাসনের বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তোলেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের গণনার কাজে ডাকা হয়েছে, যা নির্বাচন বিধির পরিপন্থী। শুভেন্দুর বক্তব্য, “একটি গোষ্ঠী ধারাবাহিক ভাবে নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করছে। তাদের আটকাতে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে নজর রাখতে হচ্ছে।”
এই অভিযোগ ঘিরে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ভোটগণনার আগের এই পরিস্থিতি ভবানীপুরের রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর সরাসরি লড়াইয়ের ফল জানার জন্য অপেক্ষায় গোটা রাজ্য। গণনা শুরু হলে এই বিতর্কের প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।









