হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য পে-কমিশনের, ডিজিটাল ক্যাম্পেনে প্রতিবাদ বিজিটিএ-র।

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য পে-কমিশনের, ডিজিটাল ক্যাম্পেনে প্রতিবাদ বিজিটিএ-র।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য পে-কমিশনের, ডিজিটাল ক্যাম্পেনে প্রতিবাদ বিজিটিএ-র। বৈষম্য ও বঞ্চনা আকাশ ছুঁয়েছে গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের এই অভিযগে বঞ্চনার প্রতিবাদে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের সংগঠন বিজিটিএ। লক ডাউন এর বিধি নিষেধ শিথিল হতেই পে কমিশনের চেয়ারম্যানকে দ্রুত comprehensive report করার চিঠি দেওয়া হল সংগঠনের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুনঃ ঠান্ডা মাথায় খুন শুভ্রজিৎ কে? পোস্ট মর্টেমের নির্দেশ হাইকোর্টের।

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য পে-কমিশনের বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষক সংগঠন বিজিটিএ। উল্লেখ্য, পে কমিশনের বিরুদ্ধে বিজিটিএ র করা কন্টেম্পট মামলায় বিগত ২ রা মার্চ ২০২০ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট ভাবে চেয়ারম্যান পে কমিশনকে দু সপ্তাহের মধ্যে affidavit সহ একটি comprehensive report জমা করতে বলেন। কিন্তু পে কমিশন সেই সংক্রান্ত কোনো পদক্ষেপ এখনো পর্যন্ত গ্রহণ করেনি।Court খুললেই এই মামলার শুনানির জন্য BGTA প্রস্তুত বলে জানানো হয়েছে সংগঠনের পক্ষে।

এই অবস্থায় সমস্ত গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা অভিনব প্রতিবাদে সামিল হলেন। প্রত্যেকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে মেসেজ, মেইল, চিঠি লিখে তাদের বঞ্চনা নিরসনের কথা লিখে পাঠাচ্ছেন।এই প্রসঙ্গে বিজিটিএর রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য বলেন-” আমরা আরাজনৈতিক। আমাদের দাবী আদায়ের জন্য আন্দোলন করা মানে সরকার বিরোধী নই। আমরা এখনো আশাবাদী মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিয়ে বঞ্চনার অবসান ঘটাবেন। তাই আমাদের দাবি পত্র ডিজিটাল ক্যাম্পাইন এর মাধ্যমে পাঠাচ্ছি।”


উল্লেখ্য বিজিটিএর করা মামলার রায়ে ২২ শে জুন মহামান্য আদালত পে কমিশনকে পশ্চিমবঙ্গের গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের জন্য বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে বেতন কাঠামো স্থির করার নির্দেশ দেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় রাজ্য সরকারের ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী তা অমিল। পে কমিশন হাই কোর্টের রায়কে অমান্য করে। শুধু তাই নয় কেন্দ্র সহ অন্যান্য রাজ্যে নতুন বেতন কমিশনে প্রারম্ভিক বেতনে একজন pgt শিক্ষকের সাথে গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের পার্থক্য যেখানে ২৭০০ টাকা সেখানে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে তা দাঁড়িয়েছে ৯২০০ টাকা। এই পাহাড়প্রমান বঞ্চনার ফলে রাজ্যের সমস্ত গ্রাজুয়েট শিক্ষক ক্ষোভে ফুঁসছেন। কোর্টের আদেশ মেনে রিপোর্ট জমা না করলে চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ নেয়ার পথে এগোবে বিজিটিএ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x