নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট কর্মীদের ১০০% নিরাপত্তা সহ রিগিং রুখতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কমিশনের। নজরে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। বলা বাহুল্য এবারের নির্বাচন এক ঐতিহাসিক নির্বাচন হতে চলেছে। তাই এখন থেকেই সতর্ক নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের সময় যাতে কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তাই এখন থেকেই আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে করা ব্যাবস্থা নিচ্ছে কমিশন। আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে নানা খুঁটিনাটি নিয়ে আজ পুলিশ কর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশনের তরফে।
আরও পড়ুনঃ শুরু হল মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া, সুযোগ পাবেন মাত্র একবারই।
নির্বাচন কমিশন চাইছে, বিভিন্ন দলের নির্বাচনি খরচে নজরদারি করতে। তাই সেটা কীভাবে করা হবে সেই বিষয়েই পুলিশ কর্তাদের প্রশিক্ষন দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও একাধিক বিষয়ে প্রশিক্ষন দেবে কমিশন। সূত্রের খবর খরচ ছাড়া আরও তিনটি বিষয় কে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই এহেন প্রস্তুতি নজর কেড়েছে রাজ্যবাসীর।
জানা গিয়েছে, প্রশিক্ষনের মাধ্যমে পুলিশ কর্তাদের শেখানো হবে, ১) ভোটের আগে বা ভোটের সময় কোনও অভিযোগ এলে কী ভাবে তা সামাল দিতে হবে। ২) রাজনৈতিক দলের সভা, সমিতি বা মিছিলে অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে নজর দিতে হবে। ৩) ভোটের আগে এবং ভোটের সময়ে কোভিড সংক্রমণ রুখতে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ববিধি বজায় রাখতে কী কী ব্যবস্থা করতে হবে। ৪) ভোট কর্মীদের সুরক্ষা কীভাবে নিশ্চিত করতে হবে। হেনস্থাকারীদের কিভাবে রুখতে হবে।
সূত্রের খবর আজ ভাষা ভবনে ২৮ পুলিশ জেলা ও সাত পুলিশ কমিশনারেটের কর্তাদের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষনের পাশাপাশি ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কী কী নির্দেশিকা রয়েছে তাও জানিয়ে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য প্রশাসনিক রদবদলের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই এই প্রশিক্ষন শুরু হওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজনৈতিক মহল। কারন, শনিবার রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে একঝাঁক রদবদল হয়। কলকাতার পুলিশ কমিশনার হন সৌমেন মিত্র। সিআইডির এডিজি করা হয় অনুজ শর্মাকে। এডিজি আইন শৃঙ্খলা হন জাভেদ শামিম। ব্যারাকপুরের কমিশনার করা হয় অজয় নন্দাকে।
কমিশন সূত্রে খবর, ভোটে মদ-কালো টাকা-অস্ত্রের ব্যাবহার যে কোন মূল্যে ঠেকানো হবে। কোনরকম ভোট লুঠের চেষ্টা কে বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের অলিতে গলিতে ভয়ের পরিবেশ কাটিয়ে তোলা হবে। জনগনের ভোট যাতে ১০০ শতাংশ প্রতিফলিত হয় ইভিএম এ সেদিকে নজর রাখবে কমিশন। পাশাপাশি ভোট কর্মীদের ১০০ শতাংশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।



