বাংলাদেশে ছাত্রনেতা Sharif Osman Hadi-র মৃত্যুর পর রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হল। ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগেই এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে প্রশ্ন উঠছে— নির্বাচন আদৌ নির্ধারিত সময়েই হবে কি না। নিহত ছাত্রনেতার পরিবারের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
হত্যাকাণ্ড ও চিকিৎসার সময়রেখা
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারের সময় ঢাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ৩২ বছরের শরিফ ওসমান হাদি। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সরকারি উদ্যোগে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর সহিংসতা
হাদির মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছনোর পর ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়েও হামলার খবর সামনে আসে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনকে বাড়তি সতর্কতা নিতে হয়।
পরিবারের অভিযোগ
মধ্য ঢাকায় শেষকৃত্যের সময় নিহতের দাদা Abu Bakar জনসমক্ষে বক্তব্য রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, বিচার প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
আবু বকর সরাসরি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান Muhammad Yunus-এর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের দিকে আঙুল তোলেন। তাঁর দাবি, “এই হত্যার মাধ্যমে নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে।” তবে এই অভিযোগের কোনও স্বাধীন বা সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি।


নির্বাচন ও রাজনীতির অনিশ্চয়তা
এই ঘটনার জেরে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, ক্রমবর্ধমান অশান্তি ভোটের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। অন্যদিকে, সরকারপক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অভিযোগের জবাব দেওয়া হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নির্বাচন— দু’টিই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।








