সংবিধান বিকৃত করেছেন বাবুল, কমিশন-পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ তৃণমূলের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: সংবিধান বিকৃত করেছেন বাবুল! ভারতীয় সংবিধানের উপস্থাপনা বা প্রস্তাবনাকে অমান্য এবং অপমান করেছেন তিনি। এই মর্মে বিজেপি নেতা এবং এবারের প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়র নামে চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। চিঠি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। একই সঙ্গে চিঠি পাঠানো হয়েছে কলকাতা পুলিশের কাছেও। ঘটনার সূত্রপাত বাবুলের একটি পোস্ট। আর তার ভিত্তিতেই দেশের সংবিধানকে অসম্মান এবং সংবিধান প্রণেতা বাবাসাহেব আম্বেদকরকে অসম্মান করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে।

আরও পড়ুনঃ শীতলকুচির ঘটনায় সিআইডির তদন্তের রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট।

- Advertisement -

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং এবারের টালিগঞ্জ থেকে বিজেপির প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। গত ১৪ তারিখে বাবা সাহেব আম্বেদকরের জন্মদিন উপলক্ষ্যে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন তিনি। তাতে বাবা সাহেব কে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনা অংশের একটি ছবি পোস্ট করেন। আর বিপত্তি সেখানেই। সেই প্রস্তাবনা অংশে বাকি সব একই থাকলেও তিনটি শব্দ ছিলনা। তার পরই এই বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযোগ এনেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের মতে, বাবুল সুপ্রিয়, নিজের পোস্ট করা প্রস্তাবনা অংশে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাদ দিয়েছেন সোশ্যালিস্ট, সেক্যুলার এবং ইন্টিগ্রেটি অফ নেশন শব্দ তিনটি, যেগুলি ১৯৭৬ সালে, ৪২ তম সংবিধান সংশোধন কালে সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছিল।

0001 2

সংবিধান বিকৃত করেছেন বাবুল? তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন অভিযোগ করেছেন, বিজেপি দেশে এবং রাজ্যে সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি এবং সমস্ত কিছু বেসরকারিকরণ করে অসমতার অর্থনীতিতে বিশ্বাস করে, এবং বহু দিন ধরেই বিজেপি দেশের সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটি বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাঁর অভিযোগ, সেই কাজই এবার করলেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি এও বলেন বিজেপির প্রার্থীর এই পোস্টে স্পষ্ট, বাবুল সুপ্রিয় নিজের জীবনের ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতন্ত্র এবং অন্তরাষ্ট্র বিষয় গুলিকে প্রয়োজনীয় মনে করেন না।

চিঠিতে তৃণমূলের সাংসদ আরও জানিয়েছেন, বাবুল সুপ্রিয় জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অসম্মান করেছেন বাবা সাহেব আম্বেদকরের। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য, এবং একই চিঠি পাঠিয়েছেন কলকাতা পুলিশের কাছে এবং সেখানে জাতীয় সম্মাননা আইনের কথা উল্লেখ করেছেন ডেরেক। প্রসঙ্গত ওই আইন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত ভাবে দেশের সংবিধান বা জাতীয় স্মারকের অবমাননা করলে কারাদণ্ড হতে পারে তিন বছরের, এবং নিশ্চিত জরিমানা।

- Advertisement -

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর