আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল আসমুদ্র হিমাচল। ইতিমধ্যেই তদন্তভার হাতে পেয়েছেন সিবিআই। সেই তদন্তেই ক্রমে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার হাসপাতালের সেমিনার হলে চিকিৎসকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেও তার আত্মহত্যার খবর কে বা কেন জানিয়েছিল সেই বিষয়েই উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। হাসপাতালের মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের দাবিতেই এই তথ্য হাতে পাই সি বি আই।
গত কয়েকদিন ধরেই সমাজমাধ্যম থেকে সংবাদ মাধ্যম সব জায়গায় ঘোরাফেরা করছে, আরজি কর-কান্ড নিয়ে একটি ভাইরাল অডিও। যেখানে হাসপাতালের মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার ওই নির্যাতিতার পরিবারে ফোন করে তার অসুস্থতার কথা জানায়। আর সেই সূত্র ধরেই ওই মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দাবি করেন, আসলে ঘাবড়ে গিয়েই তিনি আত্মহত্যার কথা বলেন। তার দাবি ঘটনার পরেই তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর পান তিনি। এরপর চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান নির্যাতিতার বাড়িতে ফোন করে খবর দিতে বলেন তাকে। সেই মতোই তিনি নির্যাতিতার বাড়িতে ফোন করেন। এছাড়াও তিনি দাবি করেন তার বয়স্ক বাবা-মা সত্যিটা জানলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে এই আশঙ্কা করেই তিনি ওই মৃত চিকিৎসকের অসুস্থতার কথা জানায় প্রথমে।


মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার সিবিআই কি আরো বলেছেন যে, তিনি ওই ঘটনার দিন খুব কম সময়ের ব্যবধানেই ছাত্রীর পরিবারকে দুবার ফোন করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ার পরেও নির্যাতিতার পরিবার হাসপাতালে না আসায় শেষে তিনি আত্মহত্যার কথা জানায় তাঁর পরিবারকে। যদিও তার এই দাবি কতটা সত্য তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্টেও ওই নির্যাতিতার মৃত্যুর খবর জানানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্যের আইনজীবীকে। তবে এবার সম্পূর্ণ ঘটনা সামনে আসার পরেও এই তদন্তে সিবিআই ইতি টানতে পারবেন কিনা সেটাই দেখার।








