নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবীতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন। এমনটাই জানিয়েছেন আইনজীবী। এই মামলায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এক মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ফলত মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।


উল্লেখ্য, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবীতে সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলায় দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এক মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপরেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।
মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবীতে গত বছরের জুন মাসেই আবেদন জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীর সেই আবেদন খারিজ করে দিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপির বিধায়ক মুকুল রায়।
স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, বিজেপিতেই রয়েছেন মুকুল রায়। কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করেননি। মুকুল রায় দলত্যাগ করেছেন এমন কোনও প্রমাণ তাঁর হাতে আসেনি। বিজেপির তরফে মুকুল রায়ের দলত্যাগের অভিযোগ তোলা হলেও যথাযথ প্রমাণ দেওয়া হয়নি। তাই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ খারিজ করে দেন তিনি।


মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে ৬৪ পাতার পিটিশন জমা দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১১ জুন অভিযোগ জানানোর পর ১৬ জুলাই থেকে মামলার শুনানি চলে। ২৮ জানুয়ারি ১২ তম শুনানি হয়। গোটা শুনানি পর্বে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবীর তরফে বলা হয়েছিল মুকুল রায়ের তৃণমূল যোগদানের বেশ কয়েকটি ছবিও।
মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে জটিলতা, হাইকোর্টে জমা পড়ল আবেদন

পাল্টা মুকুল রায়ের আইনজীবীর তরফে বলা হয়েছিল, বেশ কিছু ব্যক্তিগত কারণে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দফতরে গিয়েছিলেন তিনি। তবে কোনও পতাকা হাতে নেননি। বরং সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির হয়েই কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



