আরজি করে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা সঞ্জয় রায় নামের এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। তারপর থেকেই পুলিশি হেফাজতে রাখা হয় তাঁকে। কিন্তু তারপর তদন্তভার হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তরিত হওয়ায় ধৃত সঞ্জয় কেও সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তরিত করা হয়। তারপর থেকে একাধিক বার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এবার সেই তদন্তে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর সিসিটিভি ফুটেজ। যেখানে দেখা যায় ঘটনার রাতে সেমিনার হলের করিডরে সঞ্জয়।
সিবিআইয়ের হাতে আসা ওই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় ঘটনার রাতে সেমিনার হলের করিডরে সঞ্জয়! সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় সেমিনার হলে সঞ্জয়কে ঢুকতে। তারপর আর জি করের চার তলার করিডরে সঞ্জয় রায়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ধরা পড়েছে সঞ্জয়ের গতিবিধি। এমনকি তাঁর গলার হেডফোনটিও একেবারে অখ্যত অবস্থায় দেখা যায় দেখে মনে করা হচ্ছে এই ফুটেজ টি ওই চিকিৎসক তরুণীর খুন ও ধর্ষণের আগের ঘটনার ছবি। কিন্তু প্রথমে যে সুত্র ধরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাহল তাঁর হাসপাতালে ঢোকার আগে হেডফোনের ছবি দেখেই। যা পরে ওই মৃত তরুণীর দেহের পাশে ছেঁড়া অবস্থায় যায়।


এদিকে ধৃত সঞ্জয়কে এবার ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল শিয়ালদহ আদালত। চিকিৎসক তরুণীর ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে জেল হেফাজতে ধৃত। পাশাপাশি পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি দিল শিয়ালদহ আদালত। বিশেষ করে ঘটনার দিন সঞ্জয় হাসপাতালে ও সেমিনার হলে ঢোকার ও পরে বেড়িয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে একাধিক বিভ্রান্তি কর বয়ান দিয়েছে সিবিআইকে। সে কারণেই তাঁর পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানায় সিবিআই। তারা আশাবাদী এই টেস্টের মাধ্যমে তাদের বিভ্রান্তি কাটার সম্ভাবনা।







