নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলতি বছরের আগস্ট মাসেই গনি সরকারের পতন ঘটিয়ে আফগান প্রদেশে ফের শুরু হয়েছিল তালিবানি শাসন। এরফলে যত সময় এগিয়েছে ততই দেশ ছাড়ার ধুম দেখা গিয়েছিল সেখানকার নাগরিক সহ অন্যান্য কর্মরতদের মধ্যে। তবে যারা থেকে গিয়েছিলেন এবার দেশ ছাড়ার ধুম দেখা দিয়েছে তাঁদের মধ্যে। তাই প্রতিদিন ই আফগান ভূমি ছেড়ে ইরানের পথে পা বাড়াচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।
আরও পড়ুনঃ দল থেকে ছাঁটাই হার্দিক পাণ্ডিয়া, ভেঙ্কটেশেই ভরসা পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা


তবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে একাধিকবার তাঁদের মুখপাত্রদের তরফ থেকে আগের তালিবান ও এখনকার তালিবানের মধ্যে বিস্তর ফারাক দেখানোর চেষ্টা করা হলেও যত সময় এগিয়েছে সকলের কাছে ততই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে তালিবান টু পয়েন্ট জিরো বলে আদতে কিছুই নেই।
প্রথম দিকে দেশের সকল নাগরিকদের তরফ থেকে জারি করা হয় একাধিক নিয়মনীতি। এরপর ধীরে ধীরে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয় মহিলাদের। যা নিয়ে একাধিকবার বিক্ষোভ মিছিল দেখা দেয় কাবুল চত্বরে। তবে সেখানে ও নৃশংসতার প্রমান দেয় তালিবরা। এমনকি সেই খবর সম্প্রচার করার অপরাধে তালিবদের বন্দুকের বাটে মাথাও ফাটে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের।
নয়া ঘোষণা তালিবদের, বেশিদিন পড়তে পারবে না মহিলারা

আর এবার তাঁদের নয়া নিয়ম অনুযায়ী ১২ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো মেয়ে পড়াশোনা করলেই কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে আফগান মহিলাদের। যারফলে স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলা শিক্ষক ও পড়ুয়াদের প্রবেশের উপর আরও কঠোর পদক্ষেপ নিল জেহাদিরা। পাশাপাশি রয়েছে খাদ্য সঙ্কট তাই এই পরিস্থিতি তে শান্তিপূর্ণ জীবন ধারনের আশায় নিজের দেশ ছেড়ে রাতের অন্ধকারে অন্য দেশের পথে এগোতে শুরু করেছে আফগান নাগরিকরা।










