আমূলের বিনিয়োগ ঘিরে নতুন আশার বার্তা পেল পশ্চিমবঙ্গ। নবান্নে গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন (GCMMF)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়েন মেহতা এবং আমূল ডেয়ারির শীর্ষ কর্তা অমিত ব্যাসের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুগ্ধশিল্প, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়েই মূলত এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
সোমবার নবান্নে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে আমূলের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রাজ্যে দুগ্ধ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল।
মুখ্যমন্ত্রীর মতে, আমূলের মতো দেশের অন্যতম বৃহৎ এবং স্বনামধন্য দুগ্ধ সংস্থার বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি, দুগ্ধচাষ এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের বিকাশে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন GCMMF-এর সম্মানীয় ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়েন মেহতা এবং কায়রা ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রডিউসার্স ইউনিয়নের কর্ণধার তথা আমূল ডেয়ারির অন্যতম শীর্ষ কর্তা অমিত ব্যাস। রাজ্যে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা এবং পরিকাঠামোগত সুবিধা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বর্তমান রাজ্য সরকার শিল্প ও বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে দেশের শীর্ষ সংস্থাগুলির সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক মহলের একাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃহৎ দুগ্ধ সংস্থার উপস্থিতি কৃষক ও ক্ষুদ্র উৎপাদকদের জন্যও নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রী বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর আশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং আমূলের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজ্যের দুগ্ধশিল্পের বিকাশে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে এই বৈঠক ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।



