শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি দেবাশিস বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বার রশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করে। আর এই রায়কে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি বিজেপির প্রভাব এখন আদালতেও প্রবেশ করেছে।
আরও পড়ুন: শহীদ মিনারে এবার চাকরিহারাদের ধর্না, যোগ্যরা যেতে চাইছেন সুপ্রিম কোর্টে


মঙ্গলবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মালদহে এলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এসেই রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন তিনি। মমতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বললেন, “চাকরি বাতিলের রায় আদালতের, এতে বিজেপির ষড়যন্ত্র কোথায়? মমতা দিদি নিজে দুর্নীতিগ্রস্থদের ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি নিজেও এখন জয় শ্রীরাম বলেন এটাও একটা বড় পরিবর্তন।”

অন্যদিকে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের সাফ কথা, “এই রায় বেআইনি। আমরা এই রায় মানি না। আমি বিচারকদের কিছু বলছি না। কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে বলতেই পারি। সেটা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার। বিজেপির কথায় এই রায় হয়েছে। একতরফা রায়। বিচারের বাণী আজ নীরবে নিভৃতে কাঁদে। আগে একজন বিচারপতি ছিলেন না, বিজেপিতে যোগ দিলেন! এই মামলা তাঁর করা। আমরা আগামীদিনে সুপ্রিম কোর্টে যাব। চাকরিহারারা চিন্তা করবেন না। আমি পাশে আছি।”


প্রসঙ্গত, মালদহ উত্তরের বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু ও মালদহ দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর সমর্থনে ইংরেজবাজারে রোড-শো করলেন অমিত শাহ। এদিন তীব্র দাবদাহকে উপেক্ষা করে অমিত শাহকে দেখতে দলে দলে ভিড় জমান বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। এরপর রায়গঞ্জের বিজেপি প্রার্থী কার্তিল পালের সমর্থনে জনসভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

চাকরি বাতিলের রায় আদালতের, বিজেপির ষড়যন্ত্র কোথায়? মালদহে প্রচারে এসে পাল্টা অমিত শাহ
এদিন অমিত শাহ স্পষ্ট বার্তা দেন, “৩০০-এর বেশি আসন নিয়ে ফের একবার দেশের ক্ষমতায় আসবেন নরেন্দ্র মোদী। প্রতি জায়গায় প্রত্যেক বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দেওয়া মানে সেই ভোট নরেন্দ্র মোদীকে ভোট দেওয়া। বিজেপিকে কোনও ভাবেই আটকাতে পারবে না তৃণমূল।”








