নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার ইউক্রেনে মিশাইল হামলা চালাল রাশিয়া। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর। আজ কিছুক্ষন আগে ইউক্রেনের অ্যাডমিন বিল্ডিং কারকিভের (Kharkiv) অদূরে মিশাইল অ্যাটাক করেছে রাশিয়া। পাশাপাশি, বোমা বৃষ্টি করা হয়েছে কারকিভে। যেন তেন প্রকারেণ ইউক্রেনের রাজধানী নিজেদের দখলে আনতে চাইছে রাশিয়া। তবে রাশিয়ার এই অবস্থানে ফ্রান্স হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুতিন কে। বাণিজ্যিক ভাবে রাশিয়াকে এক ঘরে করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভেস্তে গিয়েছে শান্তি আলোচনা, এখনও অধরা কিয়েভ, রুশ সেনাদের রুখতে অস্ত্র সাহায্য NATO’র
এদিকে বেলারুশে রাশিয়া-ইউক্রেন আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে। তারপরই ইউক্রেনে আরও বড় হামলার নির্দেশ দিয়েছেন পুতিন। যা নয়ে আশঙ্কা বাড়ছে। পূর্ব ও মধ্য ইউক্রেন ইতিমধ্যেই রুশ হামলার শিকার। পাশাপাশি পরমানু হামলার ইঙ্গিতও দিয়েছে রাশিয়া। যার প্রতিবাদে ইতিইমধ্যেই মুখর হয়েছে আমেরিকা। তবে আমেরিকা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারতের অবস্থানেও।
ভারতও ইউক্রেন এবং রাশিয়ার সংঘর্ষ বন্ধের আর্জি জানিয়েছে। তবে, কোনও অবস্থান নেয়নি। রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়া নিয়ে ভোটাভুটিতে বিরত ছিল নয়া দিল্লি। যা নিয়ে এবার খোলামেলা উদ্বেগ প্রকাশ করল হোয়াইট হাউস। ভারতের অবস্থান কে ‘উদ্বেগজনক’ বলে ব্যাখ্যা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস জানিয়েছেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তবে রাশিয়া সম্পর্কে দিল্লির অবস্থান উদ্বেগজনক’।
প্রাইসের কথায়, ‘আমাদের সঙ্গে নিয়মিত ভারতীয় অংশীদারদের যোগাযোগ রয়েছে। অ্যামিরেটস অংশীদারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। ইউরোপীয় অংশীদার ও বন্ধুদেশ গুলোর সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রয়েছে। ফলে বলা যায় প্রতিটি স্তরেই আলোচনা চলছে।’ তবে ভারত রাশিয়ার অস্ত্র কেনা বেচার সম্পর্ক নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করেনি আমেরিকা। তারা ক্ষুব্ধ হয়েছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভারত ভোটে অংশ না নেওয়ায়।
ইউক্রেনে এবার পরমানু হামলা? রাশিয়া নিয়ে ভারতের অবস্থানে ক্ষুব্ধ আমেরিকা

এদিকে, উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ ৬৪ কিলোমিটার রাস্তা ধরে কিয়েভমুখী রুশ সেনা। গোটা রাস্তায় শুধুই সাঁজোয়া গাড়ি আর অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত সেনাবাহিনীর কনভয়। এহেন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে ভ্যাকিউম বম্ব ব্যবহার রুশ বাহিনীর। এদিকে আজ মঙ্গলবার সকালে কিয়েভ আর খারকভের মাঝে ওখতিরকা সেনাঘাঁটিতে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হানায় প্রাণ গেল অন্তত ৭০ জন ইউক্রেনীয় সেনার।



