নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বৃহস্পতিবার সকালে ইউক্রেন আক্রমনের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেণ্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর যত সময় এগিয়েছে ইউক্রেন জুড়ে তাণ্ডব দেখিয়েছে মস্কো। তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি। তবে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয় জেলেনস্কির দেশ। প্রবল শক্তি নিয়ে রাজধানী কিয়েভের উদ্দেশ্যে রুশসেনা এগিয়ে আসলেও এখনও হাতে আসেনি কিয়েভ।
আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনে ভ্যাকিউম বম্ব ব্যবহার রুশ বাহিনীর, নিরব আমেরিকা
যদিও উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ ৬৪ কিলোমিটার রাস্তা ধরে কিয়েভমুখী রুশ সেনা। গোটা রাস্তায় শুধুই সাঁজোয়া গাড়ি আর অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত সেনাবাহিনীর কনভয়। এহেন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে ভ্যাকিউম বম্ব ব্যবহার রুশ বাহিনীর। এদিকে আজ মঙ্গলবার সকালে কিয়েভ আর খারকভের মাঝে ওখতিরকা সেনাঘাঁটিতে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হানায় প্রাণ গেল অন্তত ৭০ জন ইউক্রেনীয় সেনার।

এই অবস্থায় ইউক্রেন বিধ্বস্ত সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।তবুও রুশ সেনাদের আক্রমণকে প্রতিহত করতে পিছপা হচ্ছে না ইউক্রেন সেনা। দেশ বাঁচাতে দেশের সাধারণ নাগরিকরাও হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন। যদিও এখন তাঁরা যুদ্ধ ক্ষেত্রে নামেননি। আর এবার শক্তিশালী রাশিয়ার বিরুদ্ধে পালটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে NATO দেশগুলি সবরকমভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেনের দিকে।

ভেস্তে গিয়েছে শান্তি আলোচনা, এখনও অধরা কিয়েভ, রুশ সেনাদের রুখতে অস্ত্র সাহায্য NATO’র
এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আন্তি কাইক্কোনেন টুইটে জানিয়েছেন, তাদের হাতে অতিরিক্ত ৭০ টি মিগ ও সুখোই সিরিজে যুদ্ধবিমান এসেছে। বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়ার তরফে সেসব দেওয়া হল। এছাড়া ২৫০০ অ্যাসল্ট রাইফেল, ১৫ হাজার বুলেট, ১৫০০ ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ফিনল্যান্ড। এছাড়া যুদ্ববিধ্বস্ত দেশের আমজনতার জন্য ৭০ হাজার প্যাকেট খাবারও দেওয়া হচ্ছে। কানাডার তরফে দেওয়া হয়েছে ২০০০ মিসাইল।




