নজরবন্দি ব্যুরোঃ জেলা সফরে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সোমবার পুরুলিয়ায় ছিল মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক। কিন্তু সেই সভায় যত সময় এগোল, ততই যেন উত্তাপ বাড়ল সভায়। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে জেলার নানা ইস্যু, সমস্যার কথা তুলে ধরেন সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধি, দর্শকরা। ার সেই অভিযোগ শুনে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ মাথায় হাত বিজেপির, অভিষেক দরজা খুললেই দলবদল করতে পারেন তিন মন্ত্রী!


সভায় একের পর এক প্রকল্পের দৈন্য দশা, সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার অভিযোগ শুনে বিরক্ত হন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সামনে উঠে আসে ভূমি রাজস্ব দফতরের বিরুদ্ধে বেনিয়মের অভিযোগও। সব শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তাঁর তোপের মুখে পড়েছেন পুরুলিয়ার সরকারি আধিকারিকরা। বাদ যাননি পুরুলিয়ার জেলাশাসকও।

ইট ভাটা থেকে সংগৃহীত অর্থ সরকারের কোষাগারে সময়মত সঠিকভাবে জমা পড়া না নিয়ে আধিকারিকদের এখাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষুব্ধ মমতা বন্দোয়াপাধ্যায় জেলাশাসককে বলেন, “নীচুতলার এরা কালেকশন করে। তারা কালেকশন করে সরকারকে টাকাটা জমা দেয় না। কিছুটা দেয়। বাকিরা নিজেরা খেয়ে নেয়। কী জেলা চালাচ্ছ গো তুমি? এতদিন ধরে জেলায় আছো! হোয়াট ইউ আর ডুইং? আমার আইডিয়া চেঞ্জ হয়ে গেল।”



এরপরে তিনি বলেন, “তোমাদের জেলায় কত প্রোজেক্ট পেন্ডিং আছে? তোমরা চটপট উত্তর দিয়ে দাও। ইট ইজ আন্ডার প্রোসেস। মানে যেগুলো করোনা বা ফেলে রেখে দাও, দিনের পর দিন। তোমরা বলে দাও ইট ইজ আন্ডার প্রোসেস। প্রেজেন্ট স্টেটাস কি? সেটা কি? খায় না মাথায় দেয়?”
‘আমার দলের লোক হলে টেনে চারটে থাপ্পর মারতাম’, জেলাশাসককে বললেন ক্ষুব্ধ মমতা!

পুরুলিয়া জুড়ে একাধিক সরকারি প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও, তা সময়ে শেষ হয়নি! তাছাড়া ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় ব্যাপক চটে যান মমতা। তিনি বলেন, ‘এতকিছু দিচ্ছি মানুষকে। অথচ কিছু লোক এত লোভী কেন হয়ে গেছে? আর কত চাই? আমার পার্টির লোক হলে আমি টেনে চারটে থাপ্পড় মারতাম এবং তাঁদের শাসন আমি সবসময়ই করি।’







