কৃষি শিল্প দুটোই হবে। বিজেপি কে তুলোধনা করে বার্তা মমতার। নজরবন্দি সিঙ্গুর।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কৃষি শিল্প দুটোই হবে। বিজেপি কে তুলোধনা করে বার্তা মমতার। ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে ও বাজারে সহজলভ্যতা বাড়াতে পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করল সরকার। ডায়রেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (এজেন্সি)র তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, সমস্ত ধরনের পেঁয়াজের রফতানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একে দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত ও করোনার জেরে এবার প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মাথায় হাত পড়েছে পেঁয়াজ চাষিদের। যার জেরে দেশীয় বাজারেও অগ্নিমূল্য এ বিকোচ্ছে পেঁয়াজ।

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। দেখে নিন সফর সূচি।

পাইকারি হার অগ্নিমূল্য হওয়ায় সাধারণ খুচরো বাজারেও চড়া দামে বিকোচ্ছিল পেঁয়াজ। ভারত থেকে বেশ বড় পরিমাণে পেঁয়াজ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে এদেশ থেকে ১৯.৮ মিলিয়ন ডলারের পেঁয়াজ রপ্তানি করা হয়েছিল। ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ রফতানি হয় শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে।

তবে এই প্রথম যে রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল, ব্যাপারটা মোটেই তেমন না। ২০১৯ এর সেপ্টেম্বরেও পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সে সময় চাহিদা ও জোগানের বিরাট পার্থক্যের কারণে পেঁয়াজের দাম ছিল আকাশছোঁয়া। সেই বছরে ব্যাপক বৃষ্টির কারনে মহারাষ্ট্রের মতো প্রধান পেঁয়াজ উত্পাদনকারী রাজ্যে পেঁয়াজ মাঠেই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল ।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি কৃষক বিরোধী, এই অভিযোগে সরব হল তৃণমূল। আজ সিঙ্গুর ট্রমা সেন্টারের পাশের জমিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তৃণমূল নেতা, কর্মীরা। মমতা বন্দোপাধ্যায় ফোনের মাধ্যমে সেখানে ভাষন দেন। তিনি বলেন, “বিজেপি ফড়েদের নিয়ন্ত্রণ করছে। চাষিদের থেকে আলু-পেঁয়াজ কম দামে কিনে বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে। তাতেই আলু, পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। এর জন্য দায়ী কেন্দ্রীয় সরকার। এগুলো নিত্য প্রয়োজনী জিনিসের মধ্যে পড়ে। তাতে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। সবই যদি বাংলায় তৈরি হয়ে বাইরে চলে যায়, তবে দেশের লোকেরা খাবে কী? বড় কেলেঙ্কারি করছে কেন্দ্র। আমরা এর প্রতিবাদ করছি।” 

কৃষি শিল্প দুটোই হবে। বিজেপি কে তুলোধনা করে বার্তা মমতার। বিজেপি কে কার্যত তুলোধনা করে তার বক্তব্য, “আঙুর ফল টক। বিজেপি আঙুর ফলের কথা বলবে। ওদের কাছে যাবেন না। লড়লে আমরাই লড়ব। মরলে আমরাই মরব। জীবনদান করতে হলে তাও আমরাই করব। ছোটখাটো ভুলত্রুটি এলাকায় কেউ করলেও তা সংশোধন করতে হবে। যে কোনও মানুষমাত্রেই ভুল হয়। সেটাকে সংশোধন করে নিতে হবে।” 

তাঁর কথায়, “আমি মনে করি সিঙ্গুরের মানুষ একদিকে কৃষি, আরেকদিকে হাইওয়ে ধরে শিল্প তৈরি হোক। তাতে এই এলাকাটা আরও উন্নত হবে। সিঙ্গুর এমনিতেই উন্নত এলাকা। সিঙ্গুরে অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হচ্ছে। জায়গা নির্বাচন করেছি। অ্যাগ্রো প্রসেসিং পার্ক হবে। কৃষিজাত পণ্য নিয়ে কাজ করবে। বহু মনুষের চাকরিও হবে।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর