সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ, কাউন্টডাউন শুরু

গতবছরের শেষের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছিল আদিত্য এল১! দীর্ঘ পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে গিয়ে। অবশেষে গন্তব্যের খুব কাছাকাছি আদিত্য-এল১।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

গতবছরের শেষের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছিল আদিত্য এল১! দীর্ঘ পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে গিয়ে। অবশেষে গন্তব্যের খুব কাছাকাছি আদিত্য-এল১। শুধু সময়ের অপেক্ষা। সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ। হ্যালো কক্ষপথে ধীরে ধীরে প্রবেশ করছে। ইতিহাস গড়বে ভারত আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা।

সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা
সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

আরও পড়ুনঃ ইনসাফ যাত্রার পর কাল ব্রিগেড, এখান থেকেই কী শুরু হবে লোকসভার লড়াই?

বেশ কিছুদিন আগেই খবর পাওয়া গিয়েছিল আজ অথাৎ ৬ জানুয়ারি আদিত্য-এল১ পৌঁছে যাবে তার গন্তব্যে। পাঁচবছরের জন্য তাকে পাঠানো হচ্ছে। আজ বিকেল চারটের পরে ইসরো আদিত্য-এল১কে ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টের নির্দিষ্ট কক্ষপথে পুশ করবে।

2

গত ২রা সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটা থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয় আদিত্য এল-১-এর। এরপর থেকে একের পর এক কক্ষপথ পেরিয়ে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চূড়ান্ত কক্ষপথে পৌঁছে যাবে সে। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলছেন, ‘আদিত্য তার নিদের পছে যাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে এটি তার চূড়ান্ত পর্বে গিয়েছে।’ মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানের ফাঁকে একথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ইসরো প্রধান এস সোমনাথ।

3

এলওয়ান পয়েন্টে প্রবেশের আগে আদিত্য এল১-এর যে প্রস্তুতি দরকার তা শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ইসরো প্রধান। আদিত্য এল-১ ১২৫ দিন ধরে পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিমি ভ্রমণ করার পরে সূর্যের সবচেয়ে কাছের হিসাবে বিবেচিত ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান বিন্দু এল-১ এর চারপাশে একটি হ্যালো কক্ষপথে অবস্থান করবে। মোট সাতটি বৈজ্ঞানিক পেলোড রয়েছে। সম্পূর্ণ ভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে পেলোডগুলি। এই যন্ত্রগুলি করোনাল হিটিং, করোনাল ভর ইজেকশন, প্রি-ফ্লেয়ার এবং ফ্লেয়ার অ্যাক্টিভিটি এবং মহাকাশের আবহাওয়ার গতিবিদ্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে।

সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা
সূর্য্যিমামার পাড়ায় ভারতের প্রবেশ, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

সূর্যের একেবারের বাইরের স্তরের নাম করোনা। পৃথিবীর মত সূর্যেরও অ্যাটমস্ফিয়ার আছে। সূর্যের সারফেস (পিঠ) ও তার উপরের স্তর করোনার মধ্যে তাপমাত্রার ফারাক অনেক। সূর্যের পিঠের তাপমাত্রা ৫৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। করোনার তাপমাত্রা ২ লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এই তাপমাত্রার তারতম্য হতে থাকে। করোনা সবসময়ে দেখা যায় না। একে দেখতে হলে সূর্যের প্রচণ্ড তেজকে ঢাকা দিতে হয়।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন