নজরবন্দি ব্যুরোঃ তারকা হওয়ার স্বপ্ন বহু মানুষ দেখেন। তবে এই লড়াই টা যে কতটা কঠিন তা যারা লড়ে তারা তো জানেই বাকিরাও মোটামুটি জানে নিজেকে সাফল্যের চুড়ায় তুলতে কতটা পরিশ্রম লাগে। তবে কিছুটা বা বেশ খানিকটা ভাগ্যও লাগে বটে। প্রথমে কম পারিশ্রমিক দিয়ে শুরু হলেও একবার যদি অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে তার পারিশ্রমিকও হয় আকাশ ছোঁয়া।
আরও পড়ুনঃ দিদি নম্বর ১, শাড়ির ব্যবসার পাশাপাশি আরও এক নতুন ব্যাবসার পরিকল্পনা রচনার


বেশিরভাগ তারকারাই এখন বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। তবে সাফল্য যে শুধুমাত্র বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছে এমনটা নয়। দক্ষিনি ইন্ডাস্ট্রিতেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আকাশ ছোঁয়া পারিশ্রমিক পাওা যায়। এমনই এক কাহিনী ঘটেছে দক্ষিনী অভিনেতা যশের জীবনেও।

এখন তিনি যথেষ্ট প্রতিষ্ঠিত নিজের পেশাতে। তবে তাকে এই জায়গাতে পৌছতে যথেষ্ট পরিশ্রম এবং খাটনির মধ্য থেকে জেতে হয়েছে। ১৯৮৬ সালের ৮ জানুয়ারি কর্নাটকে এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম হয় যশের। তার বাবা পেশায় কর্নাটকের রাজ্য সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশনে চালক ছিলেন।
অভিনয় করে প্রথম পারিশ্রমিক ৫০ টাকা থেকে বর্তমানে ২০ কোটি! জানেন সেই যশের কাহিনী?
ছোট থেকেই তার মধ্যে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন ছিল মনের মধ্যে। তবে তার পরিবারের কোনদিনও তাতে সম্মতি ছিল না। সেই মত ১৬ বছর বয়েসে বেঙ্গালুরুতে চলে আসেন তিনি। সেখানে সহপরিচালকের ভুমিকায় কাজ করা শুরু করেন। কিন্তু হতাত করেই সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তিনি নাট্যদলে যোগ দেন। যেখানে প্রতিদিন পারিশ্রমিক হিসেবে ৫০ টাকা করে পেতেন। এরপর ২০০৫ সালে তিনি ‘উত্তরায়ণ’ নামক একটি শোতে কাজ করা শুরু করেন। তার পর একে একে ‘নন্দ গোকুল’, ‘জামবাবা হুড়ুগি, ‘রকি’র মত ছবিতে কাজ করতে শুরু করেন তিনি। তার পর ধিরে ধিরে সে জনপ্রিয়তা পায় এখন অভিনেতার ছবি ছবিপিছু পারিশ্রমিক প্রায় কুড়ি কোটি টাকা।









