নজরবন্দি ব্যুরোঃ বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে। তাই আর কোনও কালক্ষেপ করতে চাইছেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সে তাঁর দলের এই মুহূর্তে যে অবস্থায় হোক না কেন। এই সময় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ব্যাকফুটে তাদের দুই নেতার কারণে। সেই নেতা পার্থ ও অনুব্রতর কা। প্রথম জন SSC আর দ্বিতীয় জন গরু পাচার কান্ডে অভিযুক্ত। তাদের নিয়ে ED ও CBI জেলে ও হেপাজতে রেখে তদন্ত করছে।
আরও পড়ুনঃ প্রভাবশালী তত্ত্বেই খারিজ কেষ্টর জামিন, বীরভূমের নয়া তৃণমূল সভাপতি শতাব্দী?
সেই ঘটনা নিয়ে বিরোধীরা একের পর এক তোপ দেগে চলেছে শাসক শিবিরের দিকে। কিন্তু দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তাঁর দলকে সঠিক পথে নিয়ে যাবার জন্য ও আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগিয়ে চলেছেন। আর সেই লক্ষে তিনি শুরু করেছেন জেলা সফর। উত্তরবঙ্গের পর দক্ষিণবঙ্গেও তিনি বিভিন্ন জেলা নেতৃ্ত্বের সঙ্গে বৈঠক করে চলেছেন। সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বসতে চলেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে।

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রদবদল হয়েছে সংগঠনে। ব্লকস্তরে রদবদল হবে খুব তাড়াতাড়ি। আসলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রধানত গ্রামীণ এলাকার বা ব্লক স্তরের নেতৃত্বের পরিবর্তন চাইছেন অভিষেক। বিশেষ করে যাঁদের উপর কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই বয়েসে অপেক্ষাকৃত তরুণ তাঁদের দলের পদে বসাতে চাইছেন সাধারণ সম্পাদক।

এছার কেন্দ্রের অবিচারের প্রতি আরও বেশি করে আন্দোলন করতে চাইছে অভিষেক। আর এই জেলা স্তরের বৈঠকে শুধু জেলা বা ব্লক নেতারা নয় উপস্থিত থাকছেন MLA, MP ও জেলা চেয়ারম্যানও। কারণ নির্বাচনের আগে বুথ স্তরে দলকে আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে উদ্দগী হয়েছেন অভিষেক। পঞ্চায়েত ভোটের আগে যাতে কর্মীদের মনোবলে কোনও আঘাত না আসে, সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে অভিষেকের।

সেই উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি জেলার নেতাদের কলকাতায় ডেকে সাংগঠনিক করছেন। আবার প্রয়োজন পড়লে তিনি নিজে জেলাতে গিয়ে বৈঠক করছেন। সব মিলিয়ে দুর্নীতি কান্ডে নেতাদের নাম জরানো ও লাগাতার বিরোধীদের আক্রমণ থেকে নির্বাচনের আগে দলকে বাঁচাতে অভিভাবক হয়ে আগলে রাখছেন দলের নিচু তলার কর্মীদের।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ, তৃণমূলে অভিষেক দাওয়াই
কারণ পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলা ও ব্লকস্তরের সংগঠনকে মজবুত করাই তাঁর উদ্দেশ্য। যেখানে যেমন প্রয়োজন, সেখানে তেমন করেই সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চাইছে তৃণমূল ও দলের সাধারণ সম্পাদক।



