নজরবন্দি ব্যুরো: একুশের ভোটকে পাখির চোখ করে নিজের দলের হয়ে প্রচারে নেমেছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই পুরুলিয়ায় এক হাইভোল্টেজ সভা করেন তিনি। এদিকে মমতার এই জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে বাস থেকে পড়ে দুর্ঘটনায় প্রয়াত হন যুব তৃণমূল কর্মী। মৃত ওই কর্মীর নাম বেঞ্জামিন সান্ডিল বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: সঙ্গে আছি, বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্যুইট মোদির।
আর এই দুর্ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ওই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে দু’লক্ষ টাকা পাঠান। বুধবার বিকেলে সেই অর্থ নিয়েই পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব প্রয়াত যুব তৃণমূলকর্মীর বাড়ি বাঘমুন্ডির বুড়দায় যান। আর অভিষেকের এই কাজ সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
অভিষেকের তরফ থেকে পাঠানো এই আর্থিক সাহায্য এদিন বেঞ্জামিনের পরিজনদের হাতে তুলে দেন পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এখানেই শেষ নয়, নিহত যুব তৃণমূল কর্মীর মেয়ের লেখাপড়ার সমস্ত দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানান সভাধিপতি।
মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে গিয়ে নিহত কর্মীর পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা সাহায্য অভিষেকের, পুরুলিয়ার সভা থেকে মমতা বলেন, “আদিবাসীদের জমি যাতে কেউ কেড়ে নিতে না পারে, তার আইন তৈরি করেছি। পুরুলিয়া প্রথম ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী। পুরুলিয়া বহিরগতদের কাছে মাথা নত করেনি। আদিবাসীদের জমি যাতে কেউ কেড়ে না নেয়, তার জন্য আমরা আইন এনেছি। আমরা মানভূমি বোর্ড, বাউরি সংস্কৃতি বোর্ড তৈরি করেছি। বিজেপি মাওবাদীদের থেকেও ভয়ঙ্কর। এরা বাঁশ হয়ে ঢুকবে ফালি হয়ে বেড়োবে।”



