নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ সিবিআই হাজিরার মুখোমুখি হয়েছেন শাসক দলের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং পরেশ চন্দ্র অধিকারী। এতে যে দলের মুখ পুড়েছে, সেকথা চুপ করেও সহ্য করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার হলদিয়ার জনসভা থেকে এবিষয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বিচারব্যবস্থায় কিছু জন তল্পি বাহকের কাজ করছেন। কিছু হলেই সিবিআই দিয়ে দিচ্ছে। আপনার যদি মনে হয়, এই সত্যি কথা বলার জন্য ব্যবস্থা নেবেন।
আরও পড়ুনঃ আগামী তিন মাসের মধ্যে ঠিকাদার থাকবে না হলদিয়ায়, বড় বার্তা অভিষেকের।


এদিন হলদিয়ার মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, আমার বলতে লজ্জা লাগে। কিন্তু বিচারব্যবস্থায় এক শতাংশ এমন আছেন, তল্পি বাহকের কাজ করছেন। কিছু হলেই সিবিআই দিয়ে দিচ্ছেন। আপনার যদি মনে হয়, এই সত্যি কথা বলার জন্য ব্যবস্থা নেবেন, ক্যামেরার সামনে দু’হাজার বার এই কথা বলব। অভিষেক আরও বলেন, খুনের মামলার তদন্ত আটকে দিচ্ছে। শুনেছেন কোনও দিন! আদালত চাইলে নিরাপত্তা দিতে পারে। আদালতের অধিকার আছে। কিন্তু খুনের মামলার তদন্ত স্থগিত করে দিতে পারেন না আপনি।

ইতিমধ্যেই বগটুই কাণ্ড, হাঁসখালির নাবালিকা নির্যাতন, কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর হত্যার ঘটনায় তদন্তভার বর্তেছে সিবিআইয়ের ওপর। সদ্য সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ মামলা। যে কারণে বিরাট চাপে পড়েছে শাসক দল। অভিষেকের আশঙ্কা একারণে দলের কর্মীরা মনোবল হারাচ্ছেন। তাই এবিষয়ে শেষমেশ মুখ খুললেন অভিষেক।


বিচারব্যবস্থায় কিছু জন তল্পি বাহকের কাজ করছেন, বিস্ফোরক অভিষেক

অভিষেকের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন, বালখিল্য মন্তব্য নিয়ে কিছু বলার নেই আমরা। আমরা গণতন্ত্র, সংসদীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। ভারতে সবকিছু সংবিধানকে সামনে রেখে পরিচালিত হয় আইন-আদালত সবকিছু। আমরা জনপ্রতিনিধির এবং ভারতের নাগরিকরা তা মেনে চলতে বাধ্য। সংবিধানই গণতন্ত্র বজায় রাখার জন্য আইন, প্রশাসন এবং বিচারব্যবস্থার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। সেই বিচার ব্যবস্থাকে আক্রমণ করা ঘৃণ্য কাজ বলে মনে করি আমি।








