বিগত কিছু সময়ে একাধিকবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগে অস্বস্তি বেড়েছে বাংলার শাসক দল তৃণমূলের। গত পঞ্চায়েত ভোটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে জেলার নেতা-কর্মীদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের আগেও সেই একই রূপে দেখা গেল তৃণমূলের সেনাপতিকে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভোটের আগে কোনওরকম দ্বন্দ্ব বা মনোমালিন্য রাখা যাবে না। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে কী বললেন অভিষেক?



আরও পড়ুন: কীভাবে ঘুরপথে কালো টাকা সাদা করতেন শাহজাহান? আদালতে ব্যাখ্যা দিল ইডি
সোমবার আলিপুরদুয়ারে সভা করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি বলেন, ‘দ্বন্দ্বের কারণে দল হারলে বরদাস্ত করব না। মনোমালিন্য বা দ্বন্দ্ব রাখলে দলের বাইরে চলে যান। দলে থেকে কাজ করতে হবে না।’ একইসঙ্গে জলপাইগুড়ি তৃণমূল নেতৃত্বকেও তিনি বলেন, ‘কে কী পেয়েছেন, কে কী পেতে পারতেন, কেন পাননি, এখন এগুলি মূল্যায়ন করার সময় নয়। উত্তরবঙ্গে ভাল রেজাল্ট চাই।’



সপ্তাহের শুরুতেই উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন তৃণমূলের নম্বর ২। গতকাল আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। সূত্রে খবর, দলীয় কর্মীদের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘কলকাতায় বিভিন্ন স্তরে রিপোর্ট গিয়েছে। আপনারা নিজেদের মত করে চলেন। কারও কথা কেই শোনেন না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করুন।’
লোকসভার আগে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত নয়, উত্তরবঙ্গে দলীয় কর্মীদের কড়া বার্তা অভিষেকের

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে বাংলার এই ভাগেই ধুকতে হয়েছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। প্রায় সবকটি আসনই বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল। ২০২৪-এ সেই ফলাফল পাল্টে দিতে নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামছে তৃণমূল। দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। ফুল বদলের লক্ষ্যে উত্তরবঙ্গে স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণে ব্যস্ত তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।







