আর জি কর কাণ্ডে দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে তোলপাড় বাংলা সহ গোটা দেশ। এই মুহূর্তে এই তদন্ত করছে সিবিআই। এই আরজিকর কাণ্ডে মৃত তরুণী চিকিৎসকের ঘটনার সাথে সাথে উঠে এসেছে একটা বিশেষ শব্দ উঠে ‘থ্রেট কালচার’। আর এই থ্রেট কালচারের সাথে এসেছে বেশ কয়েকটি নাম। এদের মধ্যে অন্যতম এসএসকেএম এর স্নাতকোত্তর স্তরের চিকিৎসক পড়ুয়া অভীক দে।
বিভিন্ন জুনিয়র চিকিৎসকদের ফোনে বা কারও মাধ্যমে এদেরকে থ্রেট দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। এই হুমকি বা থ্রেট কালচার চলতো রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ গুলিতে। দীর্ঘদিন ধরে এই অভিযোগ করে আসছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। কিন্তু সেই সমস্যার সমাধান হয়নি। অবশেষে আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনার পর এই থ্রেট কালচার কথাটি বা থ্রেট কালচার নিয়ে সরব হন রাজ্যের জুনিয়র চিকিৎসকরা।
আর এবার সেই থ্রেট কালচারের অন্যতম স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়া চিকিৎসক অভীক দে মুখ খুললেন এক জনপ্রিয় বাংলা সংবাদ চ্যানেলে। অভীক আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। আর হাসপাতালে সেই দিন তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহের পাশে ক্রাইম সিনে তাকে দেখা গিয়েছিল। এই নিয়ে যখন প্রশ্ন ওঠে তখন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় একটি ছবি দেখিয়েছিলেন সেখানেও তাকে দেখা গিয়েছিল।
এবার সেইসব ঘটনা নিয়েই মুখ খুললেন অভীক। সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে অভিক বলেন, “অনেক কথা আমাকে নিয়ে শুনেছি। আমি নাকি ৮ অগস্ট রাত থেকে আরজি করে ছিলাম। গত ৯ অগস্ট সকাল থেকে নাকি আরজি করে ছিলাম। আমার টাওয়ার লোকেশন দেখলেই সবটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।” তাঁর বক্তব্য, “আমার অবস্থান নিয়ে যেখানে যা বলার বলেছি। সময় এই সকল প্রশ্নের উত্তর দেবে।”
বিচারাধীন বিষয়ের অজুহাত দিয়ে এর থেকে বিশেষ কিছুই বলতে চাননি অভীক দে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের কাছে চিকিৎসক-পড়ুয়া অভীক সম্পর্কে রিপোর্ট চাওয়া হয় আগেই। ইতিমধ্যে সিবিআই-এর জিজ্ঞাসাবাদেরও মুখোমুখি হন। সিজিও কমপ্লেক্সে মাঝরাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে।



