বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর ক্রমাগত নিপীড়নের অভিযোগ ঘিরে সমালোচনার মুখে পড়েছে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার এবং তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ মামলা দায়েরের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে ইউনুস সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ভারতসহ আন্তর্জাতিক মহল।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের প্রধান পরামর্শদাতা এবং শান্তিতে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি সরাসরি নোবেল কমিটিকে অনুরোধ করেছেন ইউনুসের নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। তাঁর মতে, “বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর এমন অমানবিক অত্যাচার চলতে পারে না। নোবেল শান্তি পুরস্কারধারী হিসেবে ইউনুসের দায়িত্ব ছিল এই বিষয়গুলোর সমাধান করা। কিন্তু তিনি উদাসীন।”


ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেপ্তারির পর আরও তিনজন ভক্তকে আটক করা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মস্থান এবং প্রতিবাদী হিন্দুদের উপর দমন-পীড়ন চরমে পৌঁছেছে। প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, এবং তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এতে সাধারণ হিন্দুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
ইসকন কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে রেখে তাঁর প্রাণনাশের ঝুঁকি সৃষ্টি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন এবং বাংলাদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করেছেন।
বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নোবেল কমিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শান্তির প্রতীক হিসেবে মহম্মদ ইউনুস যে পুরস্কার পেয়েছেন, তা তিনি আর রাখার যোগ্য নন।” যদিও তিনি স্বীকার করেছেন যে নোবেল কমিটির পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়ার কোনও নিয়ম আছে কিনা তা তিনি জানেন না, কিন্তু তার দাবি এই পরিস্থিতিতে সেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।









