নজরবন্দি বুরোঃ দেশ ছাড়ার হিড়িক আফগানিস্থানে, কাবুল জয়ের পরেই ছেড়ে গিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। উপরাষ্ট্রপতি সব দিয়ে রক্ষার চেষ্টা চালালেও তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে তালিবরা। ভয়ে আতঙ্কে কাবুল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে দেশ জুড়ে।
আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তান চলবে শরিয়ত আইনেই, স্পষ্ট বার্তা তালিবান ২.০’র
তালিবদের মুখের কথায় বিশ্বাস করছেন না কেউই। বিমান বন্দরে জায়গা নেই তিল ধারণের। যেন তেন প্রকারে দেশ ছাড়ছেন যাঁরা পারছেন। যাঁরা পারছেন না তাঁরা দেশের ভেতরেই অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন, সঙ্গী আতঙ্কের। বিমানবন্দরে পাহারায় এই মুহুর্তে রয়েছেন বহু মার্কিন সেনা। গতকাল ভিড় সামলাতে মার্কিন সেনার গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ।
মার্কিন সেনাদের কথায় পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক। নিজের কোলের সন্তানকে বাঁচাতে বিমান বন্দরের কাঁটাতারের এপার থেকে ছুঁড়ে দিচ্ছেন মা। তার পরে আজ ফের গুলি চলল, তালিবদের গুলিতে আজ বিমান বন্দরের বাইরে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন। তালিবদের বিরুদ্ধে আফগানিদের প্রতিবাদের ওপরও চলেছে গুলি, নিহত হয়েছেন তিন জন দেশবাসী।

সূত্রের খবর কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের বাইরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ভিড় করে আছেন দেশ ছাড়ার জন্য। সেই বিমান বন্দরের দুটি দরজা তালিবদের দখলে। তাঁরা চাইছেন দেশের মানুষ দেশেই থাকুক। এখনো পর্যত গত চারদিনে আফগানিস্থান জুড়ে তালিবদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন। আশঙ্কা দিনে দিনে সেই সংখ্যা বাড়ার। বিমান বন্দরে গুলি প্রসঙ্গে তালিবদের বক্তব্য, ‘‘আমরা বিমানবন্দরে আর কাউকে আঘাত করতে চাই না। তাই যাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষা করছেন তাঁরা বাড়ি ফিরে যান।’’

এদিকে দেশবাসীর আতঙ্ক সত্যি করে জানানো হয়েছে আফগানিস্থানে আর ফিরবে না গণতন্ত্র। তালেব নেতা হাশিমির কথায়, “আফগানিস্তানে কোন ধরনের রাজনীতি না শাসন হবে তা নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। কারণ এটা স্পষ্ট যে যা হবে তা শরিয়ত আইন মেনেই হবে। এখানে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই।” তারা জনিয়েছেন আগামী দু’দিনের মধ্যেই শেষ হবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। দোহায় চলছে আপদকালীন সক্রিয়তা।



