নজরবন্দি ব্যুরো: কাঁচকলা খেলেন বা না খেলেন, চলতি ভাষায় কিছু না পারলে অনেকেই বলে থাকেন ‘কাঁচকলা খা’, কিন্তু সত্যি করে এই কাঁচা কলা খাওয়ার গুন আছে বহু। এক সবজি বাজিমাত করে অনেক ক্ষেত্রে। বাড়িতে বাঙালিয়ানার শুক্ত হোক বা কাঁচা কলার কোপ্তা, রান্না হলে পাতা একেবারে পরিষ্কার করে ওঠেন প্রায় সকলে। এদিকে বাজারে যথেস্ট সহজলভ্য। মোটামুটি একটু ঘুরে তাকালেই ঘরে নিয়ে আসা যাবে তাকে।
আরও পড়ুনঃ নির্দেশ এসেছে আদালত থেকে, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তৎপর রাজ্য পুলিশ
যেমন ভাবে পাকা কলাতে রয়েছে বহু পুষ্টিগুণ, তেমনিই কম যায়না কাঁচা কলাও। ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, তামা, ম্যাগনেসিয়াম, সঙ্গে খনিজও রয়েছে এর মধ্যেই। সঙ্গে রয়েছে একাধিক পুষ্টিকর উপাদান। যেগুলি আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। আর এই কাঁচকলা নিয়ম করে খেলে অনায়াসে কাঁচা কলা দেখানো যাবে একাধিক সমস্যাকে।
এই সময়ের অনেকের সমস্যা ডায়াবেটিস। এই কাঁচা কলা তার থেকে মুক্তি দিতে পারে অনেকাংশেই। কাঁচা কলায় মিষ্টি না থাকায় এটি খেলে সুগার তো হয়ই না, উল্টে রক্তে শর্করার পরিমাণ হ্রাস করে।
ব্যস্ততার জীবন আমাদের। যত উন্নত হচ্ছে সমাজ, ব্যস্ততা বাড়ছে তত। ততই বাড়ছে রোগের সংখ্যা।কাজের চাপে মাথা ব্যাথা প্রায় সকলের রোজকার ঘটনা হয়ে গিয়েছে। তবে গবেষণা বলছে কাঁচা কলা মাথা ব্যথার উপশম ঘটায়। কাঁচা কলায় উপস্থিত পুষ্টি এবং একাধিক যৌগ উপাদান মাথা ব্যাথা কমায়।
কাঁচা কলা রুটিনে থাকলে খাবার হজম হয় সহজে। সিদ্ধ কাঁচ কলায় উপস্থিত ফাইবার গ্রহণ শরীরের জন্য উপকারী। এছাড়া এর মধ্যে পেটের রোগ সংক্রমণে সক্ষম ব্যাকটেরিয়া থাকে।
কাঁচকলা খেলেন বা না খেলেন, প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ থাকায় হজমের উন্নতির পাশে পাশে রক্তে কলোষ্টরেলর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে। মাংস পেশীর সমস্যা ঠিক করে। হৃদ রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় অনেকাংশে।
তবে সহজলভ্য কাঁচা কলার কিছু সমস্যাও আছে। শরীরের একাধিক ক্ষেত্রে খুব কাজের কাজ করলেও বেশি খেলে বেশকয়েকটি সমস্যা দেখা যায়।যেমন পেটে ব্যাথা, বুক জ্বলা, পেতে কৃমি প্রভৃতি।



