বঙ্গে সরকার গঠন হবার পর থেকেই জোর জল্পনা নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে। কে পাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ দফতর, কার হাতে উঠতে চলেছে প্রশাসনের বড় দায়িত্ব— তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। এই আবহেই বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মন্ত্রিত্ব ও দফতর বণ্টনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বই।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার সরকার গঠন করেছে বিজেপি। গত কাল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে-এ শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী সহ ৪ জন মন্ত্রী। তার এবার সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।
এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সারা পশ্চিমবঙ্গেই সার্বিক উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। প্রত্যেকটি দফতরই গুরুত্বপূর্ণ।” একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, কে কোন মন্ত্রক পাবেন, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ভাবে দলের নেতৃত্বের উপর নির্ভর করছে।
তাঁর কথায়, “আমরা দলের কর্মী ও কর্মকর্তা। দল আমাদের নির্বাচনে লড়তে বলেছিল, আমরা লড়েছি এবং জিতেছি। এবার দল যে দায়িত্ব দেবে, সেটাই পালন করতে হবে। লক্ষ্য একটাই— এই মিশনকে সফল করা।”
যদিও বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও তালিকা প্রকাশ করা হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম ঘুরতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত, অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, রুদ্রনীল ঘোষ, সুব্রত ঠাকুর-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। পাশাপাশি স্পিকার পদের জন্য তাপস রায়ের নামও উঠে আসছে বলে সূত্রের দাবি।
এবারের নির্বাচনে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জিতে ফের নিজের রাজনৈতিক গুরুত্ব প্রমাণ করেছেন দিলীপ ঘোষ। প্রায় ৯০ হাজার ভোট পেয়ে তিনি তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকারকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছেন।
এখন নজর একটাই— নতুন সরকারের প্রথম সারিতে কারা জায়গা পান এবং কোন নেতার হাতে ওঠে কোন গুরুত্বপূর্ণ দফতর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



