কামারহাটির ভিডিওকাণ্ডে এখনো পর্যন্ত জয়ন্ত সিংহ ঘনিষ্ঠ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদেরও ভিডিও দেখে শনাক্তকরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে আক্রান্তদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ব্যারাকপুরের সিপি আলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, ভিডিও যতই পুরোনো হোক অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া হবে ।
বুধবার সকালে একটি সাংবাদিক বৈঠকে ব্যারাকপুরের সিপি জানিয়েছেন, ২০২১ সালে ফেব্রুয়ারি মার্চ মাস নাগাদ একটি বাড়িতে মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এক দম্পতির পর সন্দেহ প্রকাশ করে আমি ওদের একাংশ। এরপর ওই দুজনকে কামারহাটির আড়িয়াদহ তালতলা স্পোর্টিং ক্লাবে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে জয়ন্ত সিং ও তার শাগরেদরা। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি)।

এ প্রসঙ্গে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার জানিয়েছে, এই ভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত জয়ন্ত অনুগামী হিসাবে পরিচিত অভিষেক বর্মণ, সুভাষ বেরা এবং সুমন দে-সহ ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ বাকি দু’জনেরও তল্লাশি চলছে।
কামারহাটিকাণ্ডে গ্রেফতার ৬ জয়ন্ত-ঘনিষ্ঠ, বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ

উল্লেখ্য কিছুদিন আগেই আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় জয়ন্ত সিংহ ও তার অনুগামীরা। এরপরই মঙ্গলবার কামারহাটি তালতলা ক্লাবের ভিডিও ভাইরাল হয় শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। বিজেপির তরফ থেকে সেই ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়,”কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন ভূমিষ্ঠ জয়ন্ত সিংহ নির্মমভাবে ওই মহিলার উপর অত্যাচার করছে। এরপরও রাজ্যের শাসক দল নারীদের সুরক্ষা নিয়ে গর্ব করে, এই নির্মম ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত।” এছাড়াও জয়ন্ত সিংহের সঙ্গে উঠে আসছে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র সহ আরো বেশ কিছু তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা।



