নজরবন্দি ব্যুরো: আগামী বছর হাইভোল্টেজ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে কার্যত ‘সেমিফাইনাল’ হিসেবেই মনে করা হচ্ছে। রবিবার চার রাজ্যের ফল ঘোষণা। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনার প্রক্রিয়া। শুরু থেকেই তিন রাজ্যে এগিয়ে ছিল বিজেপি। বেলা গড়াতেই ছবি আরও স্পষ্ট হতে থাকে। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানে বিরাট সাফল্য বিজেপির। দেশের তিন রাজ্যে দলের এই সাফল্যের উচ্ছ্বাস বাংলাতেও। এনিয়ে কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন: আর কোনও শহর ভোপাল হয়ে উঠবে না, মধ্যপ্রদেশে জিতেই বার্তা দিলেন শিবরাজ
বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার প্রথমেই বলেন, ‘ এই জয় নরেন্দ্র মোদীর হাওয়ার জয়’। আরও বলেন, ‘লোকসভা ভোট আসতে শুরু করেছে। গত ২৯ তারিখে অমিত শাহের সভায় এক অবিস্মরণীয় দৃশ্য দেখা গিয়েছে। অন্যান্য রাজ্যেও ঠিক একই। যত লোকসভা ভোট এগিয়ে আসবে ততই নরেন্দ্র মোদী ভার্সেস অল। সাধারণ মানুষ নরেন্দ্র মোদীর বিপক্ষে অন্যান্য নেতাদের বিচার করবে। সেই মূল্যায়নে নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর সরকার কয়েক হাজার কিলোমিটার এগিয়ে রয়েছে।’

তিন রাজ্যে বিজেপির জয় বাংলায় কী প্রভাব ফেলবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘আগামী লোকসভা নির্বাচনে ৩৫ টি আসনের দিকে আমাদের চোখ। এই জয় আমাদের কর্মীদেরকে আরও উৎসাহিত করবে। এই নিয়ে দুটি ডোজ পেলাম। এক, ২৯ তারিখে অমিত শাহের সভা, সেখানে বিপুল ভিড়, তার সাথে আজকের জয়, এই ডবল ডোজ আমাদের উৎসাহিত করবে আগামী লোকসভার জন্য।’

কয়েকমাস আগেই কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। তবে ওই ফলাফলকে আমল দিতে নারাজ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, পাঁচ বছর পরপর সরকার বদল হয়, কর্ণাটকে তা হয়েছে। কিছু সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে, এমন কিছু বিভ্রান্তিমূলক ভুল বোঝাতে পেরেছিল কংগ্রেস। তবে এই বিভ্রান্তি আগামী দিনে থাকবে না বলেও জানান তিনি।
‘নরেন্দ্র মোদী ভার্সেস অল’, তিন রাজ্যে গেরুয়া ঝড়, বিজেপির জয় নিয়ে উচ্ছ্বসিত Sukanta Majumdar

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছেন, ২০২৪-এ বিজেপি কোনওভাবেই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। পাশাপাশি আগামী ৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হতে চলেছে। এনিয়ে বিজেপি সাংসদের বক্তব্য, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগেও বিভিন দলকে ডেকে ব্রিগেডে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারেও একই অবস্থা। কিন্তু প্রত্যেকের উদ্দেশ্যে পরিবার বাঁচানোর। কিন্তু জনগণ বুঝতে পারছে। আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভুল প্রমাণিত করবে।



