নজরবন্দি ব্যুরো: রবিবার আচমকা কলকাতা জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। একদিকে কলকাতার মেয়র তথা ফিরহাদ হাকিম, অন্যদিকে কামারহাটি পুরসভার তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। টানা ৮-৯ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি অভিযান চলে। কিন্তু সিবিআই বেরিয়ে যাওয়াতে রবিবার খোশমেজাজে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে। কিন্তু উল্টোদিকে কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ক্ষেত্রে ঠিক অন্য চিত্র ধরা পড়েছিল।
আরও পড়ুন: পাঁচ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, ডিসেম্বরের শুরুতেই গণনা, জানাল নির্বাচন কমিশন
সিবিআইয়ের তল্লাশি নিয়ে কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন ফিরহাদ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বাড়ি থেকে যেতেই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে হেনস্থার অভিযোগ তোলেন ফিরহাদ। তাঁর বাড়ি থেকে তল্লাশিতে আদৌ কী উদ্ধার হয়েছে, তা নিয়ে রবিবার রাত পর্যন্ত কিছু না বললেও সোমবার পুরসভার বাইরে নিজেই তা খোলসা করলেন মেয়র ফিরহাদ।

সোমবার তল্লাশি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমায় কালকে সত্যি বলতে কিছু জিজ্ঞাসা করেনি। এসে সার্চ-টার্চ সবই করেছে। খুব ভালো ভাবে সবাই মিলে বসে চা খেলাম। আমার মনে হচ্ছে ওদের ওপরে চাপ আসছে দিল্লি থেকে। যে যেকোনও একটা একটা কেস সাজাও। না হলে তো আবার বিচারপতি সিনহার কাছে ঝাড় খেতে হবে। তাই ওরা কিছু একটা করার চেষ্টা করছে বলে আমার মনে হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, এর আগেই এই সমস্ত তল্লাশির পিছনে কেন্দ্রীয় এজেন্সির পরিকল্পিত চক্রান্ত আছে বলেই আশঙ্কা করেছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র অভিযোগ তুলে জানিয়েছিলেন, “সিবিআই বাংলার মন্ত্রীদের টার্গেট করছে। পরিকল্পনা করে হেনস্থার চক্রান্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সির।” পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেছিলেন যে,”সিবিআই যতই তল্লাশি চালাক না কেন! তদন্তে মিলবে না কিছুই।” তাহলে কি তল্লাশি নিয়ে কি আগেই অনুমান করেছিলেন পুরমন্ত্রী? প্রশ্ন উঠছে ওয়াকিবহল মহলে।
দিনভর CBI-র তল্লাশি, মুখ খুললেন ফিরহাদ




