নজরবন্দি ব্যুরো: বাড়ছে বুথ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা, ২১ এর নির্বাচনে রাজ্যে ১লাখ ১০ হাজার বুথ হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানা গেছে। কোভিডের কারণেই বুথের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি বুথে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করা হবে। গত লোকসভা ভোটে প্রায় ৭০০ কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। এবারে তা আরও বাড়ানো হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: উপহার হিসেবে ভুটানের জন্য কোভিশিল্ডের ১.৫ লক্ষ ডোজ পাঠাল ভারত!
তিনদিনের সফরে আজ রাজ্যে এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আজ বিকেলে রাজ্যের ইলেক্টোরাল অফিসার ও পুলিশের নোডাল অফিসারের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। সূত্রের খবরে জানা গেছে, আজ দুপুরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা সহ কমিশনের বাকি শীর্ষ আধিকারিক গুয়াহাটি থেকে কলকাতায় পৌঁছচ্ছেন। জানা গিয়েছে, কমিশনের প্রতিনিধিদল বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বৈঠকস্থলের দিকে উদ্দেশে রওনা দেবেন।
বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের ফুল বেঞ্চের। মধ্যাহ্নভোজনের পর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের আধিকারিকদের। শুক্রবার, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক হওয়ার কথা। ওই বৈঠকে হাজির থাকার কথা রাজ্য পুলিশের ডিজি-রও।
জানা গেছে, ইতিমধ্য়েই, কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকের আগে বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি রাখতে সব জেলার জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। সম্প্রতি, রাজ্য সফরে এসেছিলেন উপ-মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুদীর জৈন। জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি যেভাবে ও যে পয়েন্টগুলি রেখে রিপোর্ট তৈরি করতে বলে গিয়েছেন, সেইমতো রিপোর্ট যাতে হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
বাড়ছে বুথ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা, নির্বাচনের আগে হিংসাকে রুখতে জেলা আধিকারিক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছিলেন সুদীপ জৈন। সূত্রের খবর, সেই কাজ কতটা এগিয়েছে, সেই কাজ সম্পন্ন করতে কতটা সময় লাগবে, তা ওই রিপোর্টে উল্লেখ করে কমিশনের বেঞ্চের সামনে পেশ করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে, রাজ্য সফরে পরপর দু’ দিন রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন উপ নির্বাচন কমিশনার। সূত্রের খবর, ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে কর্তব্যে গাফিলতি হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হবে, এমনও ইঙ্গিত দিয়েছেন সুদীপ জৈন।
কয়েকদিন আগেই শহরে এসেছিলেন উপনির্বাচন কমিশনার। তখনই তিনি দফায় দফায় জেলার অনান্য পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বোইঠক করেন। কমিশন যে হিংসামুক্ত ও অবাধ নির্বাচন চায়, সেই বার্তা তখনই দিয়েছিলেন সুদীপ জৈন। এছাড়াও, ভোটের আগে বিভিন্ন জেলা পরিদর্শনেরও পরামর্শ দিয়েছেন সুদীপ জৈন। কারণ ভোটকে ঘিরে সন্ত্রাস তৈরির চেষ্টা এবং ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার ক্ষেত্রে যাতে জেলের ভিতর থেকে কোনও ষড়যন্ত্র না হয়, সে বিষয়ে নজর রাখতে বলেছে কমিশন।



