নজরবন্দি ব্যুরো: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে সাসপেন্ড চারজন পুলিশ অফিসার। নির্যাতিতার দেহ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে, সেই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার মহম্মদ সানা আখতার একথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: Skin Care: গরমকালে ব্যাস্ত জীবনে ত্বকের জেল্লা বজায় রাখবেন কি করে? ঘরোয়া উপায়েই মিলবে সমাধান

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। মৃতার পরিবারের তরফে গণধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এরইমধ্যে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, ‘মৃত নাবালিকার দেহ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ!’ এই ভিডিও নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে।

সাসপেন্ড হওয়া চারজন এএসআই পদমর্যাদার অফিসার। পুলিশ সুপারের তরফে দাবি করা হয়, ‘তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “চারজনকে সাসপেন্ড করে লাভ নেই। ওনারা উপর মহলের নির্দেশ পালন করেছেন। কাউকে সাসপেন্ড করার প্রয়োজন হলে এসপিকে সাসপেন্ড করা প্রয়োজন।”
মৃতার দেহ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বড় পদক্ষেপ পুলিশের

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর দাবি খারিজ করে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো পাল্টা দাবি করেছেন, ‘যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এমনকি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেই এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।’



