নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন সিবিআই কর্তা বর্ণিত সৎ রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চন্দন মণ্ডলের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ হয়েছে সিবিআইয়ের। জানা গেছে, চন্দনের সঙ্গে যোগ ছিল উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের। সরাসরি কমিটির তিন সদস্যের কাছে পৌছে যেত টাকা। কারা তারা? কত টাকা পৌছেছিল? চন্দনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা সিবিআইয়ের।
আরও পড়ুনঃ “জঙ্গিদের পুষলে এই পরিণতিই হয়”, করাচি হামলা নিয়ে পাক সরকারকে কটাক্ষ প্রসাদের
শুধুমাত্র বাগদা নয়, রাজ্যের একাধিক জেলাতেও বিছিয়ে ছিল চন্দন মণ্ডলের জাল। এমনকি চাকরি প্রার্থীরা হাজির হতেন চন্দন মণ্ডলের বাড়িতে। এমনকি চাকরি না মিললে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এমনটাই মুখে মুখে প্রচার ছিল চন্দনের নামে। গ্রুপ সিতে চাকরির নামে একশোরও বেশি প্রার্থীর থেকে তোলা হয় টাকা। সিবিআই নজরে চন্দনের এজেন্টরাও। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, মধ্যস্থতাকারী রঞ্জন বিভিন্ন জেলায় সাব এজেন্ট রেখে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেছিলেন। তাদের মাধ্যমেই চলত টাকা তোলা।

সিবিআই সূত্রে খবর, গ্রুপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলের সঙ্গে এবার মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে জানানো হচ্ছে, চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিতেন চন্দন মণ্ডল। সেই টাকা প্রসন্ন রায়ের মাধ্যমে পৌঁছে যেত প্রভাবশালীদের কাছে। চন্দনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা যেত প্রসন্ন রায়ের কাছে। এখনও ২২ টি অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেন সিবিআইয়ের নজরে এসেছে। এমনকি নগদ টাকার লেনদেন হতে বলেও জানা গেছে।
চন্দনের সঙ্গে যোগ ছিল উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের, মিলেছে প্রসন্ন রায়ের যোগ

শুক্রবার চন্দন মণ্ডল সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে সিবিআই। নিজাম প্যালেসে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সদর্থক উত্তর না মেলায় গ্রেফতার করে সিবিআই। আগামী চার দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একাধিক সূত্র মিলতে পারে। এমনটাই মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।



