নজরবন্দি ব্যুরোঃ রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে কি করবেন? দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করার দায়িত্ব যাঁদের কাঁধে, সেই BSF জওয়ানদের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। শুক্রবার বাংলাদেশে যেতে চাওয়া তরুণীকে গণধর্ষণের (Gang Rape) অভিযোগে দুই BSF জওয়ানকে গ্রেফতার করে বাগদা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
আরও পড়ুনঃ ৫ দিনের মধ্যে ৩ শতাংশ সৎ নেতা কর্মী বাড়ল তৃণমূলে! কিভাবে জানেন?
এক যুবতীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদা সীমান্তে পাহারারত BSF-এর ২ জওয়ানের বিরুদ্ধে। শুধু অভিযোগ ওঠা নয়, নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ২ জওয়ানকে গ্রেফতারও করেছে বাগদা থানার পুলিশ। জানা গেছে, ধৃতরা বিএসএফের ৬৮ নম্বর ব্যাটেলিয়নে কর্মরত। ধৃতদের নাম এস.পি চেরো ও আলতাব হোসেন। চেরো এএসআই পদে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত দুই জওয়ানের নাম, এস.পি চেরো ও আলতাব হোসেন। BSF-এর ৬৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত এস.পি চেরো আবার ASI পদে রয়েছেন। এই দুই জওয়ান মিলে বাগদা (Bagda) সীমান্তের জিতপুর এলাকায় চাষ জমিতে বসিরহাটের এক যুবতীকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করেছে বাগদা থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
বসিরহাটের ওই যুবতী পুলিশকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাগদা সীমান্তের কাছে জমিতে চাষের কাজ করছিলেন। চাষের জমিতে দুই জওয়ান মিলে তাঁকে গণধর্ষণ (Rape) করে। রাতেই বাগদা থানায় দুই জওয়ানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, BSF জওয়ানরা একদিকে যেমন সীমান্তে পাহারা দিয়ে দেশ ও দেশবাসীকে সর্বদা রক্ষা করত ব্যস্ত, তেমনই বিভিন্ন সময়ে জওয়ানদের বিরুদ্ধে গোরু পাচার সহ নানান অভিযোগ ওঠে। সীমান্তবর্তী এলাকায় মহিলাদের উপর অত্যাচার করারও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এবার বসিরহাটের যুবতীকে গণধর্ষণ করার মতো বিস্ফোরক অভিযোগও উঠেছে BSF-এর দুই জওয়ান। অভিযুক্ত জওয়ানদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতা।
যুবতীকে গণধর্ষণ, বাগদা সিমান্তে গ্রেফতার ২ BSF জাওয়ান

এদিকে গতকালই সিবিআই নিয়ে কিছুটা ভোল বদল হয়েছে দিলীপ ঘোষের। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি জানান, এখন সিবিআই একমাত্র ভরসা। তাঁর বক্তব্য, ‘এছাড়া উপায় কী আছে? ভরসা যখন টেকে না, তখনই প্রশ্ন ওঠে। তিনি জানান, কোর্টও CBI-এর ওপর ভরসা রেখেছে। এছাড়া তো দ্বিতীয় রাস্তা নেই।’
কেন তিনি সিবিআই-কে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ জানান, ‘ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার, খুন, ধর্ষণের যে সব মামলা হয়েছিল, তার এখনও সমাধান হয়নি। সেই কারণে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন।’



