নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘দিদি’ নাকি ‘দাদা’, ত্রিদিব,‘দিদির অনুগামী’ বলেই পরিচিত ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু ছন্দপতন ঘটল রবিবার। পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে সদ্য মন্ত্রীত্ব পদ থেকে সরে আসা শুভেন্দু অধিকারির মঞ্চে সস্ত্রীক হাজির ছিলেন ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়। এরপরই আবারও শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কি শুভেন্দুর দলেই নাম লেখালেন ত্রিদিব? এসব নানান প্রশ্ন নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে আবারও জল্পনা তুঙ্গে।
আরও পড়ুনঃ মুস্তাক আলি ট্রফি দিয়ে শুরু হচ্ছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট।
‘দিদি’ নাকি ‘দাদা’, ত্রিদিব, সিপিএম-এর আমলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অনুগামী বলেই পরিচিত ছিলেন ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়। এমনকি তৃণমূল ক্ষমতায় এলে প্রথমদিকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের একাধিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে শাসকদলের দিকেই ঝোঁকেন ত্রিদিব। এমনকি তৃণমূলকে সমর্থন করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছের মানুষ হিসেবেও পরিচিত হয়ে ওঠেন ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়। সুধাংশু দে এবং ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এই দুজনই বিশেষত কলকাতা বইমেলার দায়িত্ব সামলাতেন। কিন্তু শুভেন্দুর মঞ্চে ত্রিদিববাবুর আচমকা উপস্থিতির সঙ্গে কি যোগ থাকতে পারে, সেই নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ রজনীকান্তের পর কমল হাসান, ভোটের ময়দানে পা আরও এক সুপারস্টারের।
‘দিদি’ নাকি ‘দাদা’, ত্রিদিব, চিরকালই বইপ্রেমী বা সাহিত্যপ্রেমী হিসেবে পরিচিত ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়। তাই এদিনের অনুষ্ঠানে হাজিরা সম্পর্কে তাঁর শিবিরের দাবি, অরাজনৈতিক সাহিত্যধর্মী এই অনুষ্ঠান তাঁর কথামতোই সাজানো হয়েছে। এমনকি আয়োজকদের নিমন্ত্রণ রক্ষার্থেই কেবলমাত্র স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। যদিও এদিন মঞ্চে সুধাংশু দে কে এদিন দেখা যায়নি।



