নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে আসল দুর্নীতিকে আড়াল করা হচ্ছে। বাড়তি এক নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল না? প্রশ্ন মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের।তাঁর কথায় মহাভারতে মেঘের আড়ালে যুদ্ধ করতেন ইন্দ্রজিৎ। তেমনই দুর্নীতি ঢাকার জন্য মেঘ তৈরি করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, পর্ষদের সভাপতি যদি কোনও দুর্নীতি করে থাকেন, তাহলে আদালতের ক্ষমতা রয়েছে তাঁকে অপসারণ করার।
আরও পড়ুনঃ Coal Smuggling: লালার কাছ থেকে টাকা পেত ইসিএল কর্তারা, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ২৬৯ জন চাকরি হারিয়েছেন। শুধুমাত্র ২৬৯ জন এখনও অবধি পাওয়া ৪৩ হাজার জন কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের থেকে সেই তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই।

গতকালই আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়তি এক নম্বর দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সেখানে আদালতের বক্তব্য ছিল, ব্যাপারটা নিউটনের আপেলের মতো। গাছের নীচে বসে ছিলেন, হঠাৎ একটা আপেল এসে পড়ল। এখানেও হঠাৎ কিছু চাকরি প্রার্থী বাড়তি ১ নম্বর পেয়ে গেলেন। এ ক্ষেত্রে এই ১ নম্বর হল নিউটনের আপেল। যেন নিউটনের আপেলের মতো দেওয়া হয়েছে নম্বর। কেন দেওয়া হল? এটাই বিচার্য বিষয়। এমনটাই জানিয়েছে আদালত।
রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, আদালতের নির্দেশেই নম্বর বাড়ানো হয়েছে তাঁদের। এখানে কোনও স্ক্যাম নেই বলেই দাবি করেন তিনি। পাল্টা বিকাশ ভট্টাচার্যের যুক্তি ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর নম্বর বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু ২০১৭ সালেই চাকরী প্রার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে দিয়েছিল বোর্ড। এখানেই বেনিয়ম হয়েছে। তা সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
আসল দুর্নীতিকে আড়াল করা হচ্ছে, বিস্তর অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্য

তাঁর যুক্তি, আসল দুর্নীতিকে ঢাকতে মেঘ তৈরি করেছে। যাতে ইন্দ্রজিৎকে আড়াল করা যায়। সেই বক্তব্য এদিন শুনানি পর্বে পেশ করেন প্রবীন আইনজীবী।



