Tarun Majumder: নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন পরিচালক নিজেই

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার সকালেই পরিচালক তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে বাংলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলা সিনেমায় যেন এ যুগের অবসান ঘটল। এমনটাই বলছেন শিল্পীরা। একেবারে নিপাট সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত তরুণ মজুমদার চেয়েছিলেন নীরবে নিভৃতে হোক শেষকৃত্য। তাঁর কথাকেই মান্যতা দেওয়া হচ্ছে। তাই নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য।

আরও পড়ুনঃ রাতের অন্ধকারে গড়িয়াহাট ব্রিজ থেকে ঝাঁপ তরুণীর, সম্পর্কের টানাপোড়েন না অন্য কিছু

সোমবার সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে উপস্থিত হন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, যেহেতু তিনি বলে গিয়েছিলেন একেবারে নীরবে নিভৃতে ওনাকে যাতে কেউ ফুল মালা না দেন সেটাও ওনার সিদ্ধান্ত ছিল। রাজ্যের তরফে সমস্ত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উনি যেহেতু নীরবে নিভৃতে চেয়েছিলেন, সেটাকেই মান্যতা দেওয়া  হয়েছে।

tarun majumdar

এখনও অবধি এসএসকেএম হাসপাতালে রয়েছে তরুণ মজুমদারের মরদেহ। সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে মরদেহ। যেহেতু তিনি আগেই ঠিক করেছিলেন দেহদান করবেন তাই তাঁর দেহ ফের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হবে।

নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন তরুণ মজুমদার 
নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন তরুণ মজুমদার 

উল্লেখ্য, ১৯৩১ সালের ৮ জানুয়ারি অধুনা বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তরুণ মজুমদারের। কিন্তু পড়াশোনা এবং বেড়ে ওঠা কলকাতাতেই। সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে ছাত্র তরুণ মজুমদার পরে রসায়ন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন তরুণ মজুমদার 

নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন তরুণ মজুমদার 
নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন তরুণ মজুমদার 

১৯৫৯ সালের ‘চাওয়া পাওয়া‘ থেকেই সিনেমা জগতে কাজ শুরু। ১৯৬২ সালে ‘কাঁচের স্বর্গ’ ছবির জন্য জাতীয় পুরষ্কার পান তিনি। এরপর ‘পলাতক’, ‘গণদেবতা’, ‘বালিকা বধু’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বর’, ‘দাদার কীর্তি’ একের পর এক অসামান্য ছবি দিয়ে গেছেন সিনে প্রেমীদের জন্য। ৬০ বছরের সিনে দুনিয়ার যাত্রা আজ যেন এক লহমায় শেষ হয়ে গেল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন