নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুর্শিদাবাদ জেলার বিজেপি সভাপতির বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মুর্শিদাবাদের বিজেপির বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ। সেই সঙ্গে দলের কর্মসমিতির সদস্যের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ নেতৃত্তের হাতবদল হতেই কি সিপিএমের এই সাফল্য? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা
সাংবাদিক বৈঠক করে গৌরীশঙ্কর ঘোষ জানান, জেলার মণ্ডল সভাপতি নির্বাচনের জন্য ৫১ জনের নাম পাঠানো হয়েছিল। যার মধ্যে ১৮ জনের নাম বাদ দিয়ে বিজেপি জেলা সভাপতি নিজের ইচ্ছে মতো লোকেদের ঢুকিয়েছেন, যাঁরা অযোগ্য। স্বাভাবিকভাবেই এই অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে অস্বস্তিতে বিজেপি। এইসব ঘটনা নিয়ে গতকালকেই মুখ খুলে ছিলেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ।

আর আজ রাজ্য নেতৃত্বকে নিজের ফেসবুকে তোপ দাগলেন আর এক বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। এদিন তার নিজের ফেসবুক পোস্টে অনুপম লেখেন, ‘কেন এতগুলি ইস্তফাপত্র একসঙ্গে সেটা রাজ্য বিজেপির খুব গুরুত্ব সহকারে বিচার বিশ্লেষণ করা উচিত।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি যতদূর জানি গৌরীশঙ্কর বাবু একজন ভাল সংগঠক। যাদেরকে এতদিন গুরুত্ব দেওয়া হল তারা সব দল ছেড়ে চলে গেছে। আর যারা এতদিন মাটি কামড়ে পড়ে ছিল তারা ইস্তফা দিচ্ছেন!’

এদিকে এই নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, ‘ইস্তফাপত্র নিয়ে বিবেচনা করছি। রাজ্য নেতৃত্ব খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবে।’ একইসঙ্গে অনুপম দাবি করেন পুরনো কর্মীদের আগেও হতাশায় ভুগতে দেখেছেন তিনি. একই সঙ্গে অনুপমের ক্ষোভ আমাদের মত যারা অসময়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অর্থাৎ যখন মানুষ বিজেপিতে আসতে ভয় করত সেই সময় আমরা বিজেপির হাত ধরেছিলাম।

ফের অন্তর্দ্বন্দ্ব স্পষ্ট BJPতে, এবার রাজ্য নেতৃত্বকে তোপ দাগলেন অনুপম হাজরা
আমরা আন্দোলন করতাম যখন বাকিদের তখন দেখা যেত না। কারণ তখন বিজেপি তে কেউ নেই। কিন্তু এখন বহু মানুষের ভিড়। আর সেই ভিড়ে পুরনো মুখগুলো কেন হারিয়ে যাচ্ছে সেই বিশ্লেষণ বিজেপির করা উচিত বলেই মনে করেন এই বিজেপি নেতা।



