নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাইকোর্টের নির্দেশ সত্বেও সরকার জমা করলো না পেপারবুক! ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকরা। এ রাজ্যের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক দের বেতন বঞ্চনা নিরসনে যে মামলা বিজিটিএ করেছে তাতে, গত ২৩ সেপ্টেম্বরে হাইকোর্ট এর ডিভিশন বেঞ্চে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের মামলায় যে রায় দেওয়া হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিলো ২০শে নভেম্বরের মধ্যে পেপারবুক সাবমিট করতে হবে এবং তা মামলাকারী দেরকে অর্থাৎ বিজিটিএ কে দিতে হবে।শুধু তাই ই নয়,হাইকোর্ট ২৫ নভেম্বর পে কমিশন কে একটা জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ ‘কর্মই ধর্ম’ বেকারদের জন্যে নতুন প্রকল্প। ফ্রি রেশন জুনের পরেও! মুখ্যমন্ত্রী
নির্দেশ ছিল যে, কেন এই বিষয়ে রেকমেন্ডশন জমা করতে তাদের এত দেরি হচ্ছে।এবং মামলাটি ২৫ নভেম্বর পুনরায় লিস্টে রাখতে মাননীয় বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে ২০ নভেম্বর পেরিয়ে গেলেও সে পেপারবুক জমা না পড়ার কারণে হাইকোর্ট এর তরফে এই কেস এনলিস্টেড হয়নি। শিক্ষকেরা এ কারণে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ। কারণ এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের জন্য এবং ইতিমধ্যেই পে কমিশন একটি জবাবি চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে যে,যেদিন হেয়ারিং হবে,অর্থাৎ আগামী ২৫ নভেম্বর, একটা সিল করা খামে গ্র্যাজুয়েট টিচার্স দের সম্বন্ধে তাদের যে রেকমেন্ডশন সেটা তারা আদালতে জমা করবেন।
বিশেষ সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে আগামীকাল হাইকোর্ট এর ডিভিশন বেঞ্চে এই বিষয়টি বিচারপতিদের সামনে মেনশন করা হবে,যাতে আগামী ২৫ নভেম্বর ই গ্র্যাজুয়েট টিচার্স দের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মামলাটির হেয়ারিং হয়।
বিজিটিএ রাজ্য সম্পাদক সউরেন ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে বলেন,” সরকার তার ছল চাতুরী এবং ইচ্ছাকৃত ভুল করার সীমা অতিক্রম করে যদি ভেবে থাকেন, এভাবে তারা গ্র্যাজুয়েট টিচার্স এবং বিজিটিএ র লড়াইকে স্তব্ধ করতে পারবেন,তাহলে তাঁরা মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন।
গ্র্যাজুয়েট টিচার্স দের ন্যায্য টিজিটি স্কেল আদায় করেই আমরা ছাড়বো।” বিজিটিএ রাজ্য সভাপতি ধ্রুবপদ ঘোষাল জানান,”শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত রেখে,যতই বাড়ি বাড়ি শিক্ষক পাঠিয়ে সরকারি ঢাক পেটানোর ব্যাবস্থা হোক, শিক্ষকদের এভাবে ক্ষুব্ধ করতে থাকলে, সে ঢাক চড়াম চড়াম আওয়াজ তোলার আগেই ফেঁসে যাবে এটা যেন সরকার ভালো করে জেনে রাখে।”



