নজরবন্দি ব্যুরোঃ দামি গাড়ি কিংবা বাড়ির শখ থাকে অনেক মানুষেরই। তাই বলে কোটি টাকা খরচ করে কুঁড়েঘর কেনা? আসলে সম্প্রতি এক কাঠ আর টিন দিয়ে তৈরি কুঁড়েঘরের ছবি আর তার দামের অঙ্ক দেখে হতবাক হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজাররা। সমুদ্রতীরে নিশ্চুপ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে এই কুঁড়েঘরটি। যার ঠিকানা সুদূর ব্রিটেনে। তবে সমুদ্রের অপরূপ দৃশ্য ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে এই কাঠ-বাঁশের তৈরি এই কুঁড়েঘরটির জুড়ি মেলা ভার বলেই দাবি করেছেন নির্মাতা।
আরও পড়ুনঃ মিলেছে তার সমস্ত ভবিষ্যদ্বানী, পুতিন নিয়ে কী বলেছিলেন বাবা ভাঙা?
জানা গিয়েছে, সুদূর ব্রিটেনের লন্ডন (London) শহরের অদূরে নর্থ ওয়েলসের গুইনে সমুদ্রসৈকতে তৈরি করা হয়েছে এই কুঁড়েঘরটি। তবে ওই ঘরটিতে কোনও আলো ও জলের ব্যবস্থা নেই বলে জানা গিয়েছে। চারিদিকে শুধুই সৈকতের বালি আর অপরূপ সমুদ্র। আসলে সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর নিয়ম করে পর্যটকরা ঢুঁ মারেন এই সমুদ্রতটে। সেই কারণে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে একেবারে প্রাকৃতিক আদব-কায়দায় তৈরি করা হয়েছে ওই কুঁড়েঘরটিকে। সেকারণেই ওই ঘরে গেলে মিলবে না বিদ্যুতের আলো, চলবে না পাখা কিংবা এয়ার কন্ডিশনার মেশিন।
শুধু তাই নয়, পানীয় জলের এমনকী জল নিষ্কাশনেরও কোনও ব্যবস্থা নেই ওই কুঁড়েঘরটিতে। জানা গিয়েছে ওই ঘরটি একেবারে সমুদ্রের ধারে অবস্থিত হওয়ায় ওখানে গেলে সমুদ্র দেখার নেশায় বিভোর হতে পারেন যে কেউ। এই কথা মাথায় রেখেই নির্মাতা দাম ধরেছেন ২ কোটি টাকা। কিন্তু কুঁড়েঘর বলে কথা, তার ওপর ঘরটিতে আলো-জলের ব্যবস্থা নেই, তাই এমন আজব দাম দেখে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক মন্তব্য করেছেন। যার জুতসই জবাবও আছে বিক্রেতার কাছে।
এ বিষয়ে ওই বিক্রেতা দাবি করেছেন যে পৃথিবীর অন্যতম ধনী শহর লন্ডন। এখানে বাড়ি ভাড়া করে থাকতে গেলে ভাড়াটেকে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকা খরচ করতে হয়। তার ওপর ওই ঘরটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত সমুদ্রসৈকত নর্থ ওয়েলসের গুইনে অবস্থিত। বিক্রেতা জানিয়েছেন, ওই কুঁড়েঘরটি একেবারে সমুদ্রতীরে অবস্থিত হওয়ায় ওই ঘর থেকে সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে একশো শতাংশ।
জল, আলো ছাড়াই এই কুঁড়েঘরের দাম ২ কোটি টাকা! কি আছে জানুন……

এমন দাম হওয়াই তাঁর মতে স্বাভাবিক। বিক্রেতার বেঁধে দেওয়া দাম এবং ঘরটির পরিকাঠামো খুঁটিয়ে দেখেছেন অনেকেই। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ঘরটিকে কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেননি কোনও ক্রেতা। বরং পরিহাস করছেন অনেকে। যেমন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেখে মজা করে এক ইউজার ইতিমধ্যেই প্রশ্ন করেছেন- ওখানে গাড়ি পার্ক করার কোনও জায়গা আছে কি না!



