‘রাজ্যপাল পঙ্গপাল’, নতুন বিতর্কের আঁচ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘রাজ্যপাল পঙ্গপাল’, সকাল ন’টার কিছু পরে আলিপুরদুয়ারে পৌঁছন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সেখান থেকে সড়কপথে সোজা লাদাখে শহিদ বিপুল রায়ের বাড়িতে যান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পথে বেশ কয়েকটি পোস্টার নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। তাতে লেখা ছিল, “পঙ্গপাল রাজ্যপাল। নির্লজ্জ বিজেপির দালাল। কোথায় ছিল এতকাল। জবাব চাই। জবাব দাও।” পোস্টারের নিচে তৃণমূলের নামও উল্লেখ করা ছিল। তাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। যদিও শাসকদল তৃণমূল এই পোস্টারের সঙ্গে তাদের কোনও যোগসাজশ নেই বলেই দাবি করেছেন ।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা হাইকোর্টের নতুন রায়, কর্মরত অবস্থায় মৃতের চাকরি পাওয়ার অধিকার নেই স্ত্রী-সন্তানের!

এমনিতেই রাজ্যের সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত লেগেই রয়েছে। তারই মাঝে ‘রাজ্যপাল পঙ্গপাল’ পোস্টার নিয়ে নতুন করে অশান্তি মাথাচাড়া দিয়েছে । যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। শুক্রবার সকালে আলিপুরদুয়ারে শহিদ বিপুল রায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিন সেখানে পৌঁছনও তিনি। আজ সকাল ৭.৩৪ নাগাদ একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়

ওই টুইটেই তিনি সস্ত্রীক বাগডোগরা পৌঁছনোর কথা জানান। তবে পথে লেখা বেশ কয়েকটি পোস্টার দেখতেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। এর আগে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে হেলিপ্যাড ভেঙে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও দু’বার বিপুল রায়ের বাড়িতে আসতে চেয়েছিলেন রাজ্য পাল। কিন্তু দু’বারই তার সফর বাতিল হয়। শুক্রবার শহিদ পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মোট ১১ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল।

‘রাজ্যপাল পঙ্গপাল’, এরপর শিলিগুড়িতে ফিরে যান তিনি। সেখানে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য সরকারকে একহাত নেন ধনকড়। তিনি বলেন, “রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নেই। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। ছক কষে বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের থেকে জবাব চেয়েও পাইনি। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় এভাবে রাজ্য সরকার চলতে পারে না।”

উলেখ্য, গত মঙ্গলবারই আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যাতে লোয়ার ডিভিশন ক্লার্কের চাকরিতে যোগ দেন শহিদ বিপুলের স্ত্রী রুম্পা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে তাঁর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। স্বামী হারানোর যন্ত্রণা বুকে রয়েছে। তবে আবারও কঠিন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে শহিদপত্নী।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন